ব্যথা কমাতে বালিশ, ম্যাট্রেস

বালিশ কেমন হওয়া উচিত? বিশেষজ্ঞদের মতে, বালিশ ঘাড়, মাথা ও শিরদাঁড়ার ওপরের অংশকে সাপোর্ট দেবে, আরাম দেবে। কাত হয়ে শোওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে ঘাড় যেন ঝুলে না থাকে, ঘাড় ও দেহ যেন বালিশ ও বিছানার সঙ্গে থাকে। প্রয়োজনে বালিশের সঙ্গে একটি তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে। যাতে মাথা ও শিরদাঁড়া যেন একই লাইনে থাকে।
ম্যাট্রেস বা গদি দুই ধরনেরÑসফট ও ফার্ম। নরম ও শক্ত। ম্যাট্রেস সবসময় শরীরের সঙ্গে মানানসই হওয়া উচিত। লক্ষ্য রাখতে হবে গদি যেন সব সময় আরামদায়ক হয়। গদির প্রকৃতি সব সময় চেহারার ওপর নির্ভর করবে। যাদের নিতম্ব কোমড়ের থেকে চওড়ায় বড়, তাদের জন্য সফট ম্যাট্রেস বা নরম গদি উপযুক্ত। কারণ এ ধরনের সফট ম্যাট্রেস শিরদাঁড়াকে ঘুমানোর সময় সোজা রাখতে সাহায্য করে। ফলে শিরদাঁড়া পুরোপুরি সাপোর্টে থাকে। ফলে ব্যথাকে এড়ানো যায়। যাদের নিতম্ব ও কোমড় সমান্তরালে বা একই লাইনে থাকে তাদের তুলনামূলক শক্ত ম্যাট্রেসে শোওয়া সুবিধাজনক। এ ধরনের ম্যাট্রেস শিরদাঁড়াকে বেশি সাপোর্ট দেয়। শিরদাঁড়াকে ঠিক রাখে।
অনেক সময় চিকিৎসকেরা সফট ম্যাট্রেস বা নরম গদি এড়িয়ে চলতে বলেন। কারণ দেহের কোনো অংশ সফট ম্যাট্রেসের মধ্যে বেশি ঝুঁকে যায়। ফলে শিরদাঁড়ার জয়েন্ট ঘুরে কিংবা টুইস্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ বেশি ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।