ব্যাংক বিমা আর্থিক খাতে ছিল ইতিবাচক গতি

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল সূচক ও শেয়ারদর বাড়লেও লেনদেন কমেছে। তবে গতকাল তুলনামূলক কেনার চাপ বেশি ছিল। যার কারণে বেড়েছে ৪৯ শতাংশ কোম্পানির দর। কমেছে ৩৯ শতাংশের দর। ব্যাংক, বিমা, আর্থিক খাতে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে। এছাড়াও ছোট খাতগুলোর মধ্যে ভালো অবস্থানে ছিল তথ্য ও প্রযুক্তি, বিবিধ, সিমেন্ট ও মিউচুয়াল ফান্ড খাত। বৃহৎ খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পতন হয় বস্ত্র ও জ্বালানি খাতে।
সবচেয়ে বেশি ১৫ শতাংশ বা ১০৬ কোটি টাকা লেনদেন হয় বস্ত্রখাতে। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। এ খাতের প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ১৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। নূরানী ডায়িংয়ের ১৬ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন এবং বিমা খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ করে। বিমা খাতে আগের দিন পতন হলেও গতকাল ৮৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের আট কোম্পানি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। আর্থিক খাতে মাত্র ছয় শতাংশ লেনদেন হলেও ৮৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় মুনাফা কমে যাওয়ায় কোম্পানিটি সর্বশেষ হিসাববছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। গতকাল লংকাবাংলা ফাইন্যান্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। লেনদেন হয় ১৬ কোটি টাকার। সাড়ে সাত শতাংশ বেড়ে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। ব্যাংক খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রকৌশল খাতে ৫৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। মুন্নু স্টাফলারের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ৫৬ টাকা ৮০ পয়সা দরপতন হয়। ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৫২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৭৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। বিবিধ খাতে ৬৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সিমেন্ট খাতে ৭১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বেড়েছে ৫০ শতাংশ শেয়ারদর। গতকাল স্পট মার্কেটে গ্রামীণফোনের প্রায় ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে চার টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ
সাবমেরিন কেব্লসের সাড়ে ১৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর কমেছে দুই টাকা। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৬৩ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে
ছিল। ইউনাইটেড পাওয়ারের ২৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় আট টাকা ৮০ পয়সা।