ব্যাংক লেনদেনে ‘টিপি’ বিষয়ক নির্দেশনা বাস্তবায়নের বাধাগুলো

মোশারফ হোসেন: প্রতিযোগিতার বাজারে গ্রাহকসেবা ব্যাংকারদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দ্রুততম সময়ে সেবাদান যেকোনো ব্যাংকেরই সেবামান বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু দ্রুততম সেবা মানে ব্যাংকের স্বার্থ বিসর্জন কিংবা গ্রাহকের নিরাপত্তার জলাঞ্জলি নয়। আবার ঠিক একইভাবে কোনো সেবার নিরাপত্তা বলয় যেন এমন না হয় যে, গ্রাহক সেই সেবাটি গ্রহণেই নিরুৎসাহী হয়। অন্যদিকে দেশের প্রচলিত ব্যাংকিং আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো লেনদেন অনুমোদন করা বা সেবাপ্রদান করাটাও ব্যাংকের সুনামের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ ব্যাংককে একটি নির্দিষ্ট আইনি ও বিধিবদ্ধ কাঠামোর মধ্যেই তার ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।
মানি লন্ডারিং, হুন্ডি ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে ব্যাংক হিসাবে টিপি নিশ্চিত করাটাও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের তেমনি একটি নির্দেশনা, যা তফসিলি ব্যাংকের জন্য অবশ্যপালনীয় বিধিবিধান। টিপি (ট্রানজেকশন প্রোফাইল) হচ্ছে ব্যাংক হিসাবে গ্রাহক কর্তৃক ঘোষিত লেনদেনের অনুমিত মাত্রা। প্রতিনিয়ত লেনদেন হওয়া হিসাবগুলোর (সঞ্চয়ী, চলতি, এসএনডি, সিসি, ওডি প্রভৃতি) ক্ষেত্রেই গ্রাহকের কাছ থেকে টিপির ঘোষণা নিতে হয়। হিসাব ফরমের কয়েকটি মূল অংশের (পরিচয়দানকারী, ব্যক্তিসংক্রান্ত তথ্যাবলি, নমিনি, টিপি, কেওয়াইসি) একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে টিপি। সঞ্চয়ী, চলতি, এসএনডি, সিসি, ওডি প্রভৃতি হিসাব খুলতে গ্রাহককে অবশ্যই হিসাব ফরমের সঙ্গে সংযুক্ত টিপিতে তার পেশা ও আয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ লেনদেনের ঘোষণা দিতে হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনামতে, হিসাব খোলার ছয় মাসের মধ্যে গ্রাহকের প্রকৃতি, হিসাবের অর্থের উৎস ও লেনদেনের ধরন পর্যালোচনা করে গ্রাহক কর্তৃক সম্পাদিত লেনদেন পর্যালোচনাপূর্বক যৌক্তিক বিবেচনায় তার যথার্থতা নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী সাপেক্ষে লেনদেনের অনুমিত মাত্রা গ্রাহকের কাছ থেকে আবার গ্রহণপূর্বক সংরক্ষণ করতে হয়। কিন্তু অনেক গ্রাহক আছেন যাদের হিসাব খোলার পর চেকবই ও ডেবিট কার্ড হস্তান্তর করার জন্য বারবার ফোন করেও ব্যাংকে আনা যায় না, টিপি হালনাগাদ করার জন্য তাদের দেখা পাওয়াটা ব্যাংকারের জন্য অমাবস্যার চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো। অনিয়মিত এসব গ্রাহক হঠাৎ করে কোনো জমা বা উত্তোলনকালে টিপির বাধার সম্মুখীন হলেই তারা ব্যাংকারের দ্বারস্থ হন, কিন্তু সেটা অধিকাংশ সময়েই ফোনালাপের অনুরোধের মাধ্যমে। এখন ফোনালাপের ওপর ভিত্তি করে কি একজন ব্যাংকার টিপি হালনাগাদ করতে পারেন? আর যদি না-ই করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের তর্ক এবং হিসাব বন্ধ করে দেওয়ার হুমকির স্রোত যেন বয়েই চলে, থামতে চায় না কোনো মতেই। তাই এই টিপি ব্যাংকারের জন্য যথেষ্ট বিড়ম্বনা নিয়ে আসে।
হিসাব খোলার সময় টিপিতে গ্রাহকের মাসিক সম্ভাব্য লেনদেনের একটি ঘোষণা নেওয়া হয়। যেসব ব্যাংক সিবিএস (কোর ব্যাংকিং সিস্টেম) ব্যবহার করছে, তাদের ব্যাংকিং সফট্ওয়্যারে স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম দিয়ে রাখার কারণে গ্রাহকের কোনো লেনদেন ঘোষিত টিপির সীমা লঙ্ঘন করলেই কম্পিউটার ওই লেনদেনটি অ্যালাউ করে না। ফলে চেকের ড্রয়ার (চেকদাতা) এবং প্রাপক/বাহক দুজনকেই পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। উল্লেখ্য, যদি গ্রাহকের লেনদেন বৃদ্ধির কারণে টিপির অনুমিত সীমা লঙ্ঘিত হয়, কিংবা লেনদেনের ধরনে কোনো পরিবর্তন আসে, তাহলে গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে টিপির সীমা/ধরন বাড়িয়ে/বদলে নেওয়া যায়। কিন্তু পাঁচ-সাত বছর আগে, যখন টিপি কম্পিউটারাইজ্ড ছিল না (শুধু হিসাবের ফরমে উল্লেখ থাকত), খোলা হিসাবের টিপিতে লেনদেনের কী ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা গ্রাহকের পক্ষে মনে রাখাটাও দুষ্কর। ফলে বর্তমানে টিপি কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত হওয়ার কারণে অনেক গ্রাহককেই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। যেমন, একজন গ্রাহক হিসাব সংরক্ষণ করেন কুমিল্লা শাখায় (প্রকৃত শাখার নামটি ব্যবহার করা হয়নি), কিন্তু ব্যবসায়িক মালামাল কেনার জন্য তাকে প্রায়ই যেতে হয় বনানীতে। নগদ টাকা বহন করার ঝুঁকি এড়াতে প্রায়ই তিনি চেক নিয়ে চলে যান বনানী শাখায় (প্রকৃত শাখার নামটি ব্যবহার করা হয়নি)। তেমনি একদিন যথারীতি টাকা উত্তোলনের জন্য বনানী শাখায় চেকটি পেমেন্টের জন্য প্রেজেন্ট করলেন, কিন্তু পেয়িং অফিসার বলে দিলেন, ‘টিপি ভায়োলেশন হচ্ছে, তাই পেমেন্ট দেওয়া যাচ্ছে না।’ গ্রাহক তো আর টিপি ভায়োলেশন কী বুঝতে পারছেন না। তাই তিনি পেয়িং অফিসারকে বললেন, ‘ভাই, আমার নিজের অ্যাকাউন্ট, কী সমস্যা একটু বুঝিয়ে বলবেন?’ পেয়িং অফিসার: ‘আপনার হিসাবের টিপি হালনাগাদ করতে হবে।’ গ্রাহক: ‘দেন, হালনাগাদ করে দেন।’ পেয়িং অফিসার: ‘আপনি আপনার শাখায় কথা বলেন। তাদের বলেন, আপনার টিপি হালনাগাদ করে দিতে।’ বেচারা গ্রাহক দাঁত কামড়ে তার শাখার ব্যবস্থাপককে ফোন করলেন, ‘আপনাদের বনানী শাখায় এসেছি পাঁচ লাখ টাকার একটি চেকের পেমেন্ট নিতে। ক্যাশ অফিসার বলছেন, টিপি নাকি হালনাগাদ করতে হবে। কী করতে হবে একটু করে দিন, প্লিজ!’ ম্যানেজার: ‘টিপি হালনাগাদ করার আবেদনে আপনার স্বাক্ষর লাগবে।’ গ্রাহক: ‘আচ্ছা, আপনি এখন হালনাগাদ করে দিন, আমি এসে সই করে দেব।’ ম্যানেজার সাহেব তা-ই করলেন। গ্রাহকের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে গিয়ে গ্রাহকের লিখিত স্বাক্ষর ছাড়াই তার টিপি বাড়িয়ে দিলেন। গ্রাহক পেমেন্ট নিতে পারলেন। কিন্তু ব্যস্ততার দরুন কয়েক দিন ব্যাংকে আসতে পারলেন না সেই গ্রাহক। দুই দিন পর ম্যানেজার সাহেবও ভুলে গেলেন টিপির কথা। অর্থাৎ টিপি হালনাগাদ হয়ে গেল গ্রাহকের সম্মতি, স্বাক্ষর বা লিখিত আবেদন ছাড়াই।
আরেক গ্রাহকের হিসাব সুনামগঞ্জ শাখায় (প্রকৃত শাখার নামটি ব্যবহার করা হয়নি)। চাকরির বদলিজনিত কারণে বর্তমানে তার পোস্টিং উত্তরায়। একদিন টাকা তুলতে গেলেন তার ব্যাংকের উত্তরা শাখায় (প্রকৃত শাখার নামটি ব্যবহার করা হয়নি)। চেক প্রেজেন্ট করলে উত্তরা শাখা থেকে বলা হলো সেই একই কথা ‘টিপি হালনাগাদ করতে হবে। আপনার শাখায় যোগাযোগ করুন।’ গ্রাহক তার শাখায় ফোন দিয়ে সমস্যার কথা জানালেন, আর বললেন, ‘আমি মাসখানেক পর সুনামগঞ্জ আসব। তখন সই করে দেব। এখন আমার টিপিটা বাড়িয়ে দিন।’ ম্যানেজার সাহেব বললেন, ‘আপনি আমাদের উত্তরা শাখা থেকে টিপির একটা ফরম পূরণ করে আমাদের শাখায় ই-মেইল করে দিন।’ গ্রাহক: ‘স্যার, আমি তো টিপি কী সেটাই বুঝি না, সেটা পূরণ করব কীভাবে?’ ম্যানেজার: ‘আচ্ছা, ফোনটা আমাদের অফিসারকে দিন।’ ম্যানেজার উত্তরা শাখার সংশ্লিষ্ট অফিসারকে বললেন, ‘ভাই, তার টিপিটা একটু পূরণ করে, তার সই নিয়ে, স্ক্যান করে আমাদের শাখায় ইমেইল করে দিন। আমি এক্ষুনি কম্পিউটারে হালনাগাদ করে দেব।’ উত্তরা শাখার অফিসার: ‘না, ভাই। আমাদের এত সময় নেই। আপনার শাখার কাস্টমার আপনি সামলান। আপনি টিপি বাড়িয়ে দেন, আমরা পেমেন্ট দিয়ে দেব, রাখি!’
তাহলে, এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সঠিক নিয়মে চেকটির পেমেন্ট কীভাবে দেওয়া যায়? এখানে গ্রাহকের চেকটি যদি অনার করতেই হয়, তাহলে তার হিসাবের টিপি হালনাগাদ করতে হবে। কিন্তু এই চেকটিকে অনার করতে গিয়ে এখানে টিপি হালনাগাদে পেয়িং শাখা এবং হিসাবধারী শাখার কার কী দায়িত্ব? এখানে চেকের বাহক নিজেই যেহেতু হিসাবটির স্বত্বাধিকারী গ্রাহক, তাই পেয়িং শাখা উপস্থিত সেই গ্রাহকের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে তার কাছ থেকে নতুন করে টিপি নিয়ে গ্রাহকের স্বাক্ষর নিয়ে স্ক্যান করে হিসাবধারী শাখাতে ইমেইল করে তাৎক্ষণিকভাবে পাঠিয়ে দিতে পারত। যেহেতু মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসী অর্থায়নের ঝুঁকি থেকে যায়, তাই হিসাবধারী শাখা নতুন এই টিপি পর্যালোচনা করে যদি সংগতিপূর্ণ মনে করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই গ্রাহকের হিসাব ফরমে এবং কম্পিউটারের কোর ব্যাংকিং সিস্টেমে তা হালনাগাদ করে দেবে এবং পেয়িং শাখা তখন চেকটিকে কম্পিউটারে পোস্টিং দিতে সক্ষম হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাবে পেয়িং শাখা এবং হিসাবধারী শাখার মধ্যে ঠেলাঠেলির উদ্ভব হয়, যা গ্রাহককে ভোগান্তিতে ফেলে।
এ তো গেল আন্তঃশাখা লেনদেনে টিপির ভোগান্তির চিত্র। এবার দেখি নিজের শাখাতেই ব্যাংকার ও গ্রাহক উভয়েই টিপির কী বিড়ম্বনা পোহান। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত টিপিতে অর্থ জমার বিবরণে ছয় ধরনের জমা উল্লেখ করা আছে নগদ (অনলাইন ও এটিএমসহ), ট্রান্সফার/ইন্সট্রুমেন্টের মাধ্যমে, ফরেন ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স, রফতানি বাবদ প্রাপ্ত, বিও (পুঁজিবাজার) হিসাব থেকে জমা/স্থানান্তর ও অন্যান্য। উত্তোলনের ক্ষেত্রেও ছয় ধরনের উত্তোলন উল্লেখ করা আছে নগদ (অনলাইন ও এটিএমসহ), ট্রান্সফার/ইন্সট্রুমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ, ফরেন আউটওয়ার্ড রেমিট্যান্স, আমদানি বাবদ পরিশোধ, পুঁজিবাজার হিসাবে জমা/স্থানান্তর ও অন্যান্য। ব্যাংকগুলোও এই আদলে হিসাব খোলার ফরম তৈরি করেছে। কিন্তু (হিসাব খোলার ফরমের) টিপিতে উল্লিখিত জমা ও উত্তোলনের ধরন এবং কম্পিউটারের পোস্টিং মেনুতে জমা ও উত্তোলনের ধরনে ভিন্নতার কারণে গ্রাহককে লেনদেনে জটিলতায় পড়তে হয়, যেমন বিদেশে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে বাংলাদেশস্থ একটি শাখা একজন প্রবাসীর হিসাব খোলার একটি আবেদন পেলেন। একজন প্রবাসী বাংলাদেশির আয়ের উৎস ফরেন রেমিট্যান্স হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং তাই তার হিসাবের টিপিতে জমার ঘরে ফরেন রেমিট্যান্সই উল্লেখ করা। যথারীতি হিসাব খোলা হলো, কম্পিউটারেও টিপি পূরণ করা হয়েছে একইভাবে। কিন্তু টিটি/ইএফটিএন আকারে আসা প্রাথমিক জমার পাঁচ হাজার টাকা কম্পিউটারে পোস্টিং দিতে গিয়ে দেখা যায়, কম্পিউটার ‘টিপি ভায়োলেটেড’ ম্যাসেজ দিচ্ছে, কারণ কম্পিউটারে পোস্টিং মেনুতে জমার অপশন মাত্র তিনটি নগদ, ট্রান্সফার ও ক্লিয়ারিং। তাই টিটি/ইএফটিএন আকারে আসা টাকা ট্রান্সফার মেনুতে গিয়েই পোস্টিং দিতে হয়। এর ফলে টিপির বাকি চারটি অপশন ফরেন ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স, রফতানি বাবদ প্রাপ্ত, বিও (পুঁজিবাজার) হিসাব থেকে জমা/স্থানান্তর ও অন্যান্য এগুলোর সঙ্গে প্রোগ্রামিং কনফ্লিক্ট তৈরি হচ্ছে এবং জমার পাঁচ হাজার, টাকা যা টিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে ফরেন ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স হিসাবে, তা পোস্টিং দিতে হচ্ছে ট্রান্সফার মেনুতে গিয়ে, ফলে লেনদেনটি সংঘটিত হতে পারছে না। অর্থাৎ টিপিতে জমার ধরন এবং পোস্টিং মেনুতে জমার ধরনে ভিন্নতা হচ্ছে বলেই কম্পিউটারাইজ্ড সিবিএস জমাটি অ্যালাও করছে না।
হিসাব খোলার সময় আরেক গ্রাহকের টিপিতে মাসিক সর্বোচ্চ একক জমার পরিমাণ দেখানো আছে এক লাখ টাকা। সেই গ্রাহক জমি বিক্রি করে পেলেন ৫০ লাখ টাকা। তিনি দলিলের কপিসহ ব্যাংকে ৫০ লাখ টাকা জমা দিতে এলেন। বিদ্যমান টিপিতে এ জমা সম্ভব নয়, তাই টিপি বাড়িয়ে মাসিক সর্বোচ্চ একক জমার পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা করে দেওয়া হলো। যেহেতু এই জমাটি নিয়মিত লেনদেনের আওতায় পড়ে না, তাই টাকা জমা হওয়ার পর টিপি আবার আগের অবস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হলো, অর্থাৎ মাসিক সর্বোচ্চ একক জমার পরিমাণ এক লাখ টাকা করে দেওয়া হলো। কিন্তু পরের মাসে ২০ হাজার টাকার চেক উপস্থাপন করা হলে, কম্পিউটার মেসেজ দিচ্ছে, ‘টিপি ভায়োলেটেড।’ টিপি বাড়িয়ে মাসিক সর্বোচ্চ একক জমার পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা করে না দেওয়া পর্যন্ত কম্পিউটার লেনদেনটি অ্যালাউ করল না। অর্থাৎ অনিয়মিত/ব্যতিক্রমী লেনদেনকে নিয়মিত লেনদেন ধরে নিয়েই তার হিসাবটি চলমান রাখতে হলো, যা টিপির প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত করে। বিজ্ঞ ব্যাংকাররা ব্যাংকার-গ্রাহক উভয়ের দুর্ভোগ লাঘবে এসব সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করবেন, প্রত্যাশা করছি।

ব্যাংক কর্মকর্তা

mosharafnblÑyahoo.com