ব্যাংক হিসাবের আবগারি শুল্কের ত্রুটি ও সংশোধন

মোশারফ হোসেন: আবগারি শুল্ক দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত তথাকথিত অনভিপ্রেত দ্রব্যাদির (যেমন মদ, তামাক ইত্যাদি) ভোগকে নিরুৎসাহিত করতে আরোপ করা হয়। তাই অর্থনীতির পরিভাষায় আবগারি শুল্ককে ‘পাপ কর’ বা ‘সিন ট্যাক্স’ও বলা হয়।

ব্যাংক হিসাব থেকে আবগারি শুল্ক কর্তনের বিষয়টিও নতুন নয়, যদিও ব্যাংকে হিসাব সংরক্ষণ কোনো অনভিপ্রেত বিষয় নয়। আমানত ও ঋণ উভয় হিসাব থেকেই প্রতি বছর একবার করে এই শুল্ক কর্তন করা হচ্ছে। ১৯৯১-৯২ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান এক লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতের ওপর ১৫০ টাকা আবগারি শুল্ক আরোপ করেন। বাজেটের বাইরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আলাদা করেও আবগারি শুল্ক বাড়ায়। ১৯৯১-৯২-এর পর একাধিকবার এই শুল্কের পরিমাণ বাড়ানো হলেও কখনও বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে আমানতকারীরা জানতেনই না এই শুল্কের কথা। কিন্তু জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে আবগারি শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা করার পরক্ষণেই নিউজ ও প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে সব গ্রাহকই ব্যাংক হিসাবের, বিশেষ করে আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক কর্তনের বিষয়টি জেনে যান।

বিষয়টি নিয়ে গ্রাহক থেকে শুরু করে ব্যাংকার, বিশিষ্টজন, এমনকি সাধারণ জনগণও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সেই থেকে ব্যাংকাররাও আতঙ্কিত গ্রাহকদের প্রশ্নবাণে বিদীর্ণ হচ্ছেন, বাকবিতণ্ডা সামলে গলদঘর্ম হচ্ছেন বিষয়টি বোঝাতে, হজম করে যাচ্ছেন গ্রাহকদের তির্যক কথার খিস্তিখেউড় এবং আমানত ধরে রাখতে মুখোমুখি হচ্ছেন চ্যালেঞ্জের। ব্যাংক হিসাবের আবগারি শুল্ক সরকারের রাজস্বের অনেক বড় খাত না হলেও গ্রাহকরা বিষয়টি অনেক নেতিবাচকভাবে দেখছেন। তাছাড়া সাম্প্রতিককালে একটি ব্যাংকের তারল্য সংকটের খবরে অনেক ব্যাংকেরই আমানতে টান পড়েছে। অন্যদিকে ঋণ-আমানত বা এডি রেশিও কমানোর সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার আমানতের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করতে তথা ব্যাংকে আমানতের প্রবাহ বাড়াতে শুল্কের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবার অবশ্যই প্রয়োজন আছে।

আবগারি শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে প্রথমেই যে অস্পষ্টতা তা হচ্ছে এই শুল্ক কি ‘ক্যালেন্ডার বছর’ নাকি ‘অর্থবছর’ অনুযায়ী আদায় করতে হবে, তা স্পষ্ট নয়। যদিও আবগারি শুল্কের প্রজ্ঞাপনে বলা আছে, প্রতি হিসাব থেকে প্রতি বছর একবার এই শুল্ক কর্তন করতে হবে। সে নির্দেশনামতে, ব্যাংকগুলো প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে নিয়মিত আবগারি শুল্ক কর্তন করে সরকারি কোষাগারে জমা করে দিচ্ছে। কিন্তু কিছু হিসাব থেকে এক বছর সময়ের মধ্যে একাধিকবারও শুল্ক কর্তন করা হচ্ছে। যেমন ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসের ৫ তারিখে কেউ যদি তিন মাস মেয়াদি একখানা এফডিআর হিসাব খোলেন, তাহলে ডিসেম্বর মাসেই তার এফডিআর হিসাব থেকে শুল্ক কর্তন করা হবে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখে মেয়াদ পূর্তিতে হিসাবটি নগদায়ন অর্থাৎ বন্ধ করতে চাইলে আবারও শুল্ক কাটা যাবে। এই নিয়মখানা  অগ্রহণযোগ্য, কারণ এতে একই হিসাবে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে (এক বছরের ব্যবধানে নয়) দুবার শুল্ক কর্তন করা হয়ে যাবে! আবার কেউ যদি নভেম্বর মাসের ৫ তারিখে হিসাব খুলে দুই দিন পর, অর্থাৎ ৮ তারিখেই অত্যাবশ্যকীয় কারণে হিসাবটি বন্ধ করে দিতে চান, তাহলেও তার হিসাব থেকে শুল্ক কর্তন করা করা হবে এবং এক্ষেত্রে গ্রাহক তার জমাকৃত মূল টাকার চেয়েও কম টাকা ফেরত পাবেন। তাই ১২ মাস বা তদূর্ধ্ব মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রে ডিসেম্বর মাস বিবেচনা না করে, হিসাবের এক বছর পূর্তি বিবেচনা করা উচিত এবং হিসাবের এক বছর মেয়াদকালে কেবল একবারই শুল্ক কর্তন করা উচিত। অন্যদিকে ১২ মাসের কম মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রে শুধু উত্তোলনের সময় বা বছরে একবার (যেটি কম) শুল্ক কর্তন করা উচিত।

কয়েক বছর আগেও আমানতের সুদের হার তুলনামূলকভাবে ভালো থাকায় আমানতদার গ্রাহকরা আবগারি শুল্ক কর্তনের বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাননি, কিংবা বুঝতেও পারেননি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমানতের নি¤œমুখী সুদের কারণে আবগারি শুল্কের বিষয়টি দৃশ্যমান হয়ে গেছে। যেমন ধরে নিচ্ছি এফডিআরের সুদের হার কমে গিয়ে ২.০০ শতাংশয় ঠেকল। তাহলে কেউ যদি নভেম্বর মাসের ২৯ তারিখে এক লাখ টাকা এক মাস মেয়াদে ২.০০ শতাংশ সুদহারে এফডিআর করেন, তাহলে ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে মেয়াদান্তে এক মাসের মুনাফা পাবেন ১৬৬ দশমিক ৬৭ টাকা। মুনাফা যোগ হওয়ার পর হিসাবের স্থিতি গিয়ে দাঁড়াল এক লাখ ১৬৬ দশমিক ৬৭ টাকা, যা দ্বিতীয় শুল্ক স্তরে (এক লাখ এক টাকা থেকে পাঁচ লাখ টাকা) পড়ে। ফলে ডিসেম্বর মাসের শেষে আবগারি শুল্ক বাবদ কাটা যাবে ১৫০ টাকা। ১৫ শতাংশ হারে উৎসে কর (সোর্স ট্যাক্স) বাবদ এই ১৬৬ দশমিক ৬৭ টাকার কর কাটা যাবে ২৫ টাকা। অর্থাৎ মোট কাটা যাবে (২৫+১৫০)=১৭৫ টাকা। তাহলে এক মাস পরে গ্রাহক ফেরত পাবে (এক লাখ+১৬৬ দশমিক ৬৭ থেকে ১৭৫) = ৯৯ লাখ ৯৯১ দশমিক ৬৭ টাকা। অর্থাৎ গ্রাহক এক মাস টাকা খাটানোর পর লাভ তো দূরের কথা, উল্টো আসল থেকে আট দশমিক ৩৩ টাকা কম পাবে! এতে মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখতে নিরুৎসাহিত হবে। তাই ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শুল্ক বাতিল করে করের পরিধি বিস্তৃত করে প্রয়োজনে উৎসে করের হার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করলেও গ্রাহকদের মধ্যে একটা পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করবে এই ভেবে যে, গ্রাহক তার লভ্যাংশের একটা অংশ কর দিচ্ছে, মূল টাকার নয়।

অন্যদিকে এই আবগারি শুল্কে গ্রাহকদের যেমন লোকসান হচ্ছে, ঠিক তেমনি সরকারেরও লোকসান হওয়া অবধারিত। যেমন নতুন এ নিয়মে এক লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে কোনো আবগারি শুল্ক কর্তন করা হবে না। এক্ষেত্রে কেউ যদি এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে রাখতে চান, তাহলে সেই টাকা একটি হিসাবে না রেখে দুটি হিসাবে, কিংবা দুটি ব্যাংকে (৭০ হাজার + ৮০ হাজার) জমা রাখবে এবং এ ক্ষেত্রে সরকার ১৫০ টাকা আবগারি শুল্ক বঞ্চিত হবে।

এক গ্রাহক ফেব্রুয়ারি মাসে পাঁচ লাখ টাকা ১২ মাস মেয়াদে ফিক্সড ডিপজিট আকারে জমা রেখে ১১ মাস পর ডিসেম্বর মাসে হিসাবটির মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটি জানতে চাইলেন। ব্যাংকার সাহেব কম্পিউটারে চেক করে বললেন, ‘আসছে ফেব্রুয়ারি মাসে আমানতটি ম্যাচিউর্ড হবে।’  গ্রাহক আরও জানতে চাইলেন, ‘১১ মাসের সুদসহ বর্তমান ব্যালেন্স কত?’ ব্যাংকার হিসাবের বর্তমান স্থিতির পরিমাণ বললেন, ‘চার লাখ ৯৯ হাজার ৮৫০ টাকা।’  ‘কী? ১১ মাসে এক টাকা লাভ না দিয়ে উল্টো ১৫০ টাকা কর্তন করা হয়েছে?’ ব্যাংকার বোঝাতে চাইলেন, ‘হিসাবের সর্বোচ্চ স্থিতি বিবেচনায় বছরে একবার আবগারি শুল্ক কাটা যায়। ব্যাংক প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে আবগারি শুল্ক কর্তন করে। আপনার হিসাব থেকে ১৫০ টাকা শুল্ক কাটা হয়েছে। আর আপনার হিসাবের এক বছর পূর্তি হলে একসঙ্গে এক বছরের লাভ যোগ হবে।’ রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে গ্রাহক জিজ্ঞেস করলেন, ‘এক বছর না হলে লাভ যোগ করবেন না, কিন্তু শুল্ক ঠিকই কেটে নিবেন, এটা কেমন নিয়ম?’

আবগারি শুল্ক কর্তনের কারণে পূর্বঘোষিত ব্যাংক মুনাফার পরিমাণও কমে যায়, যেমন ব্যাংক আমানতকারীর সঙ্গে চুক্তি করলেন যে, এককালীন ১০ লাখ টাকা জমা রেখে মাসিক মুনাফাভিত্তিক হিসাব খুললে আমানতকারী প্রতিমাসে ছয় হাজার ৫০ টাকা করে মুনাফা পাবেন, যা মাস শেষে গ্রাহকের মূল স্কিম হিসাবে প্রথমে যোগ হয়ে, সঙ্গে সঙ্গে নিট অংশ (আয়কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অংশ) করেস্পন্ডিং সঞ্চয়ী হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। গ্রাহক জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে ১০ লাখ টাকার মাসিক মুনাফাভিত্তিক হিসাব খুললেন। ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ছয় হাজার ৫০ টাকা করেই মুনাফা পেলেন। ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে আবগারি শুল্ক কাটা হয়ে গেল দুই হাজার ৫০০ টাকা (১০ লাখ টাকার সঙ্গে ছয় হাজার ৫০ টাকা যোগ হওয়ায় স্কিমটির জন্য শুল্কের ৪র্থ স্তর প্রযোজ্য)। ফলে গ্রাহকের মূল টাকা (প্রিন্সিপাল অ্যামাউন্ট) কম হয়ে গেল ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং পরের মাস থেকে ছয় হাজার ৫০ টাকার মাসিক মুনাফার বদলে গ্রাহক পেতে থাকলেন মাসিক ছয় হাজার ৩৫ টাকা করে! কারণ কম্পিউটার জানুয়ারি মাস থেকে মূল টাকা ৯ কোটি ৯৭ লাখ ৫০০ ধরে লাভ হিসাব করেছে।

ঋণ হিসাব থেকে ঋণের ১৫ লাখ টাকা ডিসবার্স করা হয়েছে ঋণগ্রহীতারই করেস্পন্ডিং সেভিংস অ্যাকাউন্টে। ফলে একই সঙ্গে গ্রাহকের ১৫ লাখ টাকার ঋণ সৃষ্টি হয়েছে, আবার ১৫ লাখ টাকার আমানত সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বছর শেষে ডিসেম্বর মাসে গ্রাহককে শাঁখের করাত দিয়ে কেটে উভয় হিসাব থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে পাঁচ হাজার টাকা শুল্ক কাটা হয়েছে। এখানে গ্রাহকের কাটা গায়ে নুন ছিটানো হয়েছে বললেও ভুল হবে না।

মৃত ব্যক্তির হিসাবের স্থিতির ১১  লাখ টাকার বিপরীতে তার ব্যাংক ডিসেম্বর মাসের ২২ তারিখে দুই হাজার ৫০০ টাকা আবগারি শুল্ক কর্তন করল। সেই ব্যক্তির নমিনি মেয়ের অন্য ব্যাংকের হিসাবে অবশিষ্ট ব্যালান্স ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা আরটিজিএসের মাধ্যমে জমা হল ডিসেম্বর মাসের ২৬ তারিখে। ২৭ তারিখে মেয়ের ব্যাংকও আবগারি শুল্ক কাটল ২৫০০ টাকা। ‘মা এখনও বেঁচে আছেন’, তাই মেয়ে ভাবলেন, ‘টাকাটা মায়ের কাছেই থাকুক।’ তাই ২৮ তারিখে মেয়ে তার বাবার নমিনি হিসাবে প্রাপ্ত টাকা তার মায়ের তৃতীয় আরেকটি ব্যাংকের হিসাবে ট্রান্সফার করলেন। মায়ের ব্যাংক আবার আবগারি শুল্ক কাটল দুই হাজার ৫০০ টাকা একই মাসের ৩০ তারিখে। ১১ লাখ টাকা নিমেষেই হয়ে গেল ১০ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকায়। একই টাকার ওপর একই বছরে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তিনবারে আবগারি শুল্ক কাটা হয়ে গেল সাত হাজার ৫০০ টাকা! এ যেন একই মুরগি বার বার জবাই করার শামিল। গ্রাহকের হিসাব থেকে কর্তন কেবল গ্রাহকের জমাকৃত অর্থের আয়ের ওপরই করা উচিত। কিন্তু মৃত একজন ব্যক্তির হিসাবের টাকা তার হিসাব থেকে স্থানান্তর হওয়ার পর তা আরও দুটি হিসাবে জমা হয়েছে, কিন্তু পরবর্তী দুটি হিসাবে জমাকৃত টাকার ওপর এক টাকা মুনাফা সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা না পেলেও আবগারি শুল্ক কাটা হয়ে গেল দুবারে আরও পাঁচ হাজার। এক্ষেত্রে এনবিআরের বক্তব্য হচ্ছে, ‘ব্যাংকের পদ্ধতিগত ভুলের কারণে নাকি এমনটা হচ্ছে।’ তাহলে এনবিআর সিনিয়র ব্যাংকার এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বসে এই পদ্ধতিগত ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আবগারি শুল্ক আদায় পদ্ধতি আরও স্পষ্ট করছে না কেন?

সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদের হার এবং উৎসে করের হারও প্রায় অর্ধেক হওয়ায় ব্যাংকগুলোকে আমানত সংগ্রহে এক ধরনের অসম প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। তথাপি উত্তম সেবা, সম্পর্কের দোহাই, মার্কেটিং কৌশল প্রভৃতি প্রয়োগ করে ব্যাংক ডিপোজিট সংগ্রহ করলেও এসব অযাচিত কাটাকাটি গ্রাহকদের ব্যাংকবিমুখ করছে। ব্যাংক খাতের ওপর এমনিতেই গ্রাহক আস্থা আগের অবস্থানে নেই, তার ওপর আবার ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকের হিসাব থেকে নানা ধরনের সরকারি মাশুল আদায় করিয়ে ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহক ব্যাংকবিমুখ হচ্ছে, ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়ছে, ব্যাংকারকে গ্রাহকের পেছন পেছন ম্যারাথন দৌড় চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

 

ব্যাংক কর্মকর্তা

[email protected]