‘ব্রিটেনের দুই মিলিয়ন পরিবার সপ্তাহে ৫০ পাউন্ড হারাবে’

শেয়ার বিজ ডেস্ক: কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সংস্কার, মূল্যস্ফীতি ও বাসা ভাড়া বৃদ্ধির ফলে ২০২০ সালের মধ্যে ব্রিটেনের দুই মিলিয়নের বেশি পরিবার সপ্তাহে ৫০ পাউন্ড আয় হারাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এলজিএ) পরিচালিত ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষকরা মনে করেন, চলতি দশক শেষে (২০২০) দুই দশমিক ১৪ মিলিয়ন ওয়ার্কিং হাউজহোল্ড সপ্তাহে ৫০ পাউন্ডের বেশি আয় হারাবে। খবর গার্ডিয়ান।

ব্রিটেনের বেশিরভাগ পরিবার কাজের আগে ওয়ার্কিং টেক্স ক্রেডিট গ্রহণ করে থাকে। ফলে তাদের আয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হারাবে। ‘পলিসি ইন প্র্যাকটিস’ নামে ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠান মনে করে, সরকারের ইউনিভার্সাল ক্রেডিটের (ইউসি) ফলে কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো থেকে আয় কেটে নেওয়া হবে।

ব্রিটেন সরকার এমনভাবে ইউসি নির্ধারণ করছে যে, শ্রমিককে কাজ দিতে হবে। বিশ্লেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এর ফলে নিম্ন আয়ের লোক অথবা যারা কাজের মধ্যে থাকে, তাদের আয় কমে যাবে।

গবেষণায় দেখা যায়, সরকারের সর্বজনীন ঋণনীতির কারণে গড়ে প্রতিটি পরিবার ১১ দশমিক ১৮ পাউন্ড আয় হারাবে সপ্তাহে। আর নার্সরা ১৪ শতাংশ প্রকৃত আয় হারাবে। যাদের তিনের বেশি সন্তান রয়েছে, তারা ৬৭ দশমিক ২১ পাউন্ড আয় হারাবে। অন্যদিকে সন্তানহীনরা হারাবে সপ্তাহে ৩০ দশমিক ৬৭ পাউন্ড।

গবেষণায় বলা হয়, ব্রিটেনের কিছু এলাকায় বাসা ভাড়া দ্রুত বাড়বে। যেখানে দেখা যায় ২০২০ সালের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় ভাড়া বাড়বে ২০ দশমিক সাত শতাংশ। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাত্র তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ ভাড়া বাড়বে।

সেল্টারের প্রধান নির্বাহী পলি নাইটে বলেন, প্রতিবদনে এটিই প্রকাশ পায় যে, ব্রিটেনের লাখ লাখ পরিবার দৈনন্দিন খাবার নিয়ে স্ট্রাগল করবে।

গরিব পরিবারকে সাহায্যের জন্য এ ফান্ড করা হচ্ছে বলে জানা যায়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি যৌথ বাৎসরিক আয় তহবিল করতে যাচ্ছে সরকার।