প্রচ্ছদ শেষ পাতা

বড় দুই গ্রুপের কারণে গত বছর খেলাপি ঋণ বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুটি বড় গ্রুপের ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ায় গত বছর জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে। এরপরও ব্যাংকের অন্যান্য আর্থিক সূচকে উন্নতি ঘটেছে। এজন্য চলতি বছরে খেলাপি ঋণ, অবলোপনকৃত ঋণ ও পুনঃতফসিলকৃত ঋণ আদায়ে বিশেষ অ্যাকশন প্ল্যান গ্রহণ করেছে ব্যাংকটি। গতকাল ব্যাংকটির ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এসব তথ্য জানান জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা সামসুদ্দোহা।
মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এজিএমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফজলুল হক, ব্যাংকের পরিচালক খন্দকার সাবেরা ইসলাম, মসিহ্ মালিক চৌধুরী, এ কে ফজলুল আহাদ, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, অজিত কুমার পাল, মেশকাত আহমেদ চৌধুরী, একেএম শামছুল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুছ ছালাম আজাদ, ডিএমডি মো. জিকরুল হক, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. ফজলুল হক, মো. তাজুল ইসলাম এবং কোম্পানি সচিব হোসেন ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা সামসুদ্দোহা বলেন, জনতা ব্যাংক কোনো প্রকার ফি-চার্জ না নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীসহ নানা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে থাকে, যা আর্থিক মূল্য প্রায় ৬২৫ কোটি টাকা। এ দায়িত্ব পালন করেও জনতা ব্যাংক ২০১৮ সালে ৯৭৯ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছে।
চলতি বছরের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বছরে খেলাপি ঋণ কমিয়ে সম্পদ বাড়াতে চায় জনতা ব্যাংক। এসএমইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ঋণ বিতরণ করা হবে। অভ্যন্তরীণ সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা হবে।
ব্যবস্থাপনা পরিচলক আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, বৃহৎ দুটি গ্রুপভুক্ত ঋণখেলাপি হওয়ায় ২০১৮ সালে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, সরকারের নির্দেশনানুযায়ী ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনা ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কঠোর অনুশাসনের ফলে জনতা ব্যাংক অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও ব্যবসায়িক সূচকে ইতিবাচক সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, ২০১৮ সাল শেষে জনতা ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৬ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা, যা বিগত ২০১৭ সাল থেকে সাত দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। আমানত চার শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। ঋণ বিতরণ আগের বছরের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেড়ে ৫৩ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা হয়েছে।

সর্বশেষ..