এসএমই

ভাটি বাংলার অর্থনীতিতে বইছে সুবাতাস

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে। এ উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে ভাটি বাংলায়ও। গত ১০ বছরে ভাটি বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, লেগেছে সুবাতাস। সুশিক্ষায় ও অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে ভাটি বাংলার পরিবেশ।
হবিগঞ্জ হাওরপ্রধান জেলা। এর মধ্যে সব চেয়ে বেশি দুর্গম এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসন। এক সময় এ আসনের সব গ্রামে বর্ষা মৌসুমে নৌকায় চড়ে যেতে হতো। শুকনো মৌসুমে পায়ে হেঁটে যাওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এখানকার মানুষের প্রধান কাজ ছিল কৃষি ও মৎস্য আহরণ। এর উপরই নির্ভর ছিল এ জনপদের অর্থনৈতিক অবস্থা। বর্তমানে কৃষি ও মৎস্য আহরণের পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যেও সমৃদ্ধ হচ্ছে জনপদটি।
শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে এলাকার যুবসমাজ। কৃষির বদলে তারা বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন ব্যবসা। ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে যুবকদের অনেকে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। সব ইউনিয়নে চালু করা হয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যোগাযোগব্যবস্থায় পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে শহরের সঙ্গে হাওরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সুগম হয়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যবসা বাণিজ্যেও।
সরকার হাওরের যুবসমাজকে বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষিত করার পাশপাশি নারীরা যেন ঘরে বসে উপার্জন করতে পারে সে জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য দেওয়া হচ্ছে স্বল্প সুদে ঋণ। একটি বাড়ি একটি খামারের মাধ্যমেও ঘুরছে হাওরের অর্থনৈতির চাকা। এ উন্নয়নে স্বস্তির নিঃশ্বাস বইছে হাওরবাসীদের মধ্যে।
হাওরের কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারের উন্নয়নে তারা খুশি।

কাজল সরকার

সর্বশেষ..