কৃষি কৃষ্টি

মরিচ চাষে কৃষকের হাসি

কৃষি অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে মরিচ। পুষ্টিগুণেও অনন্য এ সবজিটি। আজ থাকছে এর নানা দিক নিয়ে

মরিচের ঝালে মুখ জ্বলে। কিন্তু এ ঝাল-ই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। এবার এ উপজেলায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। মরিচের জন্য বিখ্যাত পাকুন্দিয়ার কৃষকের ক্ষেত আর আঙিনাজুড়ে এখন শুধু মরিচ আর মরিচ। অন্যান্য ফসলের তুলনায় মরিচের ভালো দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মরিচের চাষ পাকুন্দিয়ার অনেক কৃষকের ভাগ্য ফিরিয়েছে।
সরেজমিনে উপজেলার খামা, আংগিয়াদী, চরখামা, দাওরাইত গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা এবার মরিচের ভালো দাম পাচ্ছেন। প্রতি বিঘা জমি থেকে সপ্তাহে প্রায় ১০ মণ কাঁচামরিচ উৎপাদন করছেন। বিঘাপ্রতি মরিচ উৎপাদনে খরচ হয় ১০ হাজার টাকা। উৎপাদিত মরিচ বিক্রি করলে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। কাঁচা বা শুকনো দুভাবেই মরিচ বিক্রি করা যায়। মরিচ চাষে শুধু চাষিরাই নন, শ্রমিকরাও লাভবান হচ্ছেন। মরিচক্ষেতে কাজ করে সংসারে বাড়তি আয় করতে পারছেন নারী শ্রমিকরা। প্রতিদিন ক্ষেত থেকে মরিচ তুলছেন শ্রমিকরা। মণপ্রতি ২০০ টাকা পান তারা।
কয়েকজন কৃষক বলেন, অন্য যে কোনো ফসলের তুলনায় মরিচ চাষে লাভ বেশি। এবার ক্ষেত থেকে উঠানো পর্যন্ত মরিচ চাষে গড়ে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আগামী দুই মাস যেহেতু ক্ষেত থেকে মরিচ উঠানো হবে, সে কারণে মরিচ চাষের খরচটা চলমান থাকবে। পোকা দমনে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ইয়লো কালার ট্র্যাপ ব্যবহার করে সুফল পেয়েছেন তারা।
খামা গ্রামের কৃষক সিরাজউদ্দিন বলেন, এ বছর এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। খরচ হয়েছে প্রায় ১১ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে মরিচ বিক্রি করেছি প্রায় ৪০ হাজার টাকার। আরও দুই মাস ক্ষেত থেকে মরিচ উঠিয়ে বিক্রি করা যাবে।
আংগিয়াদী গ্রামের কৃষক শরীফ মিয়া বলেন, অল্প সময়, অল্প খরচ ও কম পরিশ্রমে বেশি লাভ হওয়ার ফসল মরিচ। এ ফসল আবাদে আমাদের হয়রানি কম। যে কোনো স্থানেই মরিচ বিক্রি করা যায়।
উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. হামিমুল হক সোহাগ বলেন, গতানুগতিক ফসলের চেয়ে মরিচে লাভ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কৃষকদের মরিচ আবাদ বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার ও সব কৃষককে ভার্মি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান আল-আমিন বলেন, এ বছর পাকুন্দিয়া উপজেলার ১৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। কৃষকরা হেক্টরপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা খরচ করে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারেন। এ কারণে তারা মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে।

 সাজন আহম্মেদ পাপন, কিশোরগঞ্জ

বাড়তি ফলনের জন্য দরকার সঠিক চাষাবাদ
অতিরিক্ত অম্ল মাটি ছাড়া প্রায় সব ধরনের মাটিতে মরিচ জন্মে। তবে পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত আলো-বাতাসময় উর্বর দোআঁশ মাটি বেশি ভালো। মরিচ গাছে ফুল ধরার সময় সাধারণত ৩৫ থেকে ৪৫ সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন পড়ে। আর অতিরিক্ত বৃষ্টি ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ফুল ঝরে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
মরিচের ভালো চারা পেতে হলে প্রথমে বীজতলায় চারা গজিয়ে নেওয়া উত্তম। এরপর দ্বিতীয় বীজতলায় স্থানান্তর করতে হয়। প্রতিটি বীজতলার জন্য জমির দৈর্ঘ্য অনুযায়ী লম্বা, এক মিটার বা সাড়ে তিন ফুট প্রস্থ ও ৪০ সেন্টিমিটার বা ১৬ ইঞ্চি উঁচু করে নিতে হবে। বীজতলার ওপরের মাটিতে বালি ও কম্পোস্ট বা শুকনো পচা গোবর সার পরিমাণমত মিশিয়ে ঝরঝরা করে নিতে হবে। এক বিঘা জমির চারার জন্য ১২০ থেকে ১৩০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন।
আরও আগে সূর্যের আলোয় বীজতলা শুকিয়ে শোধন করতে হবে। এরপর বীজতলা ভালোভাবে কুপিয়ে সমতল করে সাদা ও স্বচ্ছ পলিথিন শিট দিয়ে সম্পূর্ণ ঢেকে দিতে হবে। দুই থেকে তিন সপ্তাহ ঢাকা অবস্থায় সরাসরি সূর্যরশ্মি স্বচ্ছ পলিথিন শিটের ওপর পড়বে। এতে বীজতলার মাটির ভেতর গরম হয়ে যে তাপ সৃষ্টি হবে, তাতে ক্ষতিকারক জীবাণু মরে যাবে। এছাড়া তাপ বৃদ্ধির ফলে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস নির্গত হবে। তাই এ পদ্ধতিতে জীবাণুমুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে বীজতলায় বীজ বপন করা যাবে না। বিষাক্ত গ্যাস কোদাল দিয়ে কোপালে ধীরে ধীরে সরে যাবে। এ পদ্ধতিতে বীজতলায় বসবাসকারী পোকামাকড় মারা যাবে; অন্যথায় তারা স্থান ত্যাগ করবে। তাপের মাধ্যমে বীজতলা জীবাণুমুক্ত করতে চাইলে মাটিতে রক্ষিত নাইট্রোজেন সার বাতাসে উড়ে যায়। ফলে মাটিতে নাইট্রোজেনের অভাব দেখা দেয়। ভালোভাবে বীজ গজানোর জন্য বপনের আগে ৪৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
মরিচের বীজ বপনের জন্য বর্ষা মৌসুমে মার্চ থেকে এপ্রিল ও রবি মৌসুমের অক্টোবর থেকে নভেম্বর উপযুক্ত সময়। ঝাল মরিচ বছরের প্রায় যে কোনো সময়ে জন্মে । মিষ্টি মরিচ রবি মৌসুমে ভালো হয়। চারা প্রায় ১০ সেন্টিমিটার বা চার ইঞ্চি উঁচু হলে জমিতে ৬০ থেকে ৭০ সেন্টিমিটার বা ২৫ থেকে ৩০ ইঞ্চি দূরত্ব অনুযায়ী সারিতে চারা রোপণ করতে হয়। গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার বা ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চি। মনে রাখতে হবে, মরিচের চারা বিকালে লাগাতে হয়। দুই থেকে তিন দিন সকাল-বিকাল নিয়মিত পানি দিতে হয়।

পরিচর্যা ও সংরক্ষণ
প্রত্যাশিত ফলন পেতে মরিচের পরিচর্যা আবশ্যক। গাছ লাগানোর পর জমিতে জৈবসার প্রয়োগ করতে হবে। এ সার মাটির গুণাগুণ ধরে রাখতে সহায়তা করে। জমিতে যদি রসের অভাব দেখা দেয়, তবে অবশ্যই সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আগাছা দেখা দিলে তা পরিষ্কার করতে হবে। এজন্য কয়েকদিন পরপর খেয়াল রাখতে হবে আগাছা হচ্ছে কি না। সার দেওয়ার সময় কোদাল দিয়ে মাটি কুপিয়ে আলগা করে দিতে হবে। গাছে ফুল আসার সময় হরমোন-জাতীয় ওষুধ প্ল্যানোফিক্স ১০ থেকে ১২ লিটার পানিতে দুই মিলি হারে বা চার থেকে পাঁচ লিটার পানিতে এক মিলি সেলমন দ্রবণ তৈরি করে গাছে দিলে মরিচ অকালে ঝরে পড়বে না।

সংরক্ষণ
রোপণের ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে ফুল ধরে। ফুল আসার পর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচ তোলা হয়। মরিচের রঙ একটু লাল হলে তুলে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়। অথবা ৩০ থেকে ৪০ দিন পর পাকা মরিচ তোলা যায়। এক মৌসুমে ১০ থেকে ১২ বার ফসল তোলা যায়। পাকা মরিচ তোলার পর অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা, ছায়াযুক্ত ও শুকনো স্থানে রাখতে হবে। মরিচ শুকানোর পর মাচার ওপরে টিনের ডোল, গোলা, বেড়ি, পলিথিন বা ড্রামে রাখতে হবে। মরিচের গোলা এমন হওয়া উচিত, যেন বাইরে থেকে বাতাস ঢুকতে না পারে।

রোগবালাই ও প্রতিকার
সাদা মাছিপোকা
এরা পাতার রস শুষে খায়; ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। পাতায় অসংখ্য সাদা পাখাযুক্ত মাছি দেখা যায়। ঝাঁকি দিলে পোকা উড়ে যায়।
প্রতিকার: সাদা আঠাযুক্ত বোর্ড স্থাপন কিংবা আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা। নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করা। ৫০ গ্রাম সাবানের গুঁড়ো ১০ লিটার পানিতে গুলে পাতার নিচে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ভালো করে স্প্রে করা। সঙ্গে পাঁচ কৌটা গুল (তামাক গুঁড়ো) পানিতে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।

জাব পোকা
জাব পোকা খুব ছোট ও পাতলা। এরা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খায়। ফলে পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। এছাড়া গাছের পাতা কুঁকড়ে যায়। গাছ আর বাড়তে পারে না। মরিচের ফুল আসার সম্ভাবনা কমে যায়।
প্রতিকার: আক্রান্ত গাছ অপসারণ করতে হবে। গাছ লাগানোর পর এডমায়ার অথবা টিডো কীটনাশক ১০ লিটার পানিতে সাত থেকে ১০ মিলিমিটার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

অ্যানথ্রাকনোজ
এ রোগে আক্রান্ত পাতার কাণ্ড ও ফলে বাদামি কালো দাগ দেখা যায়। ধীরে ধীরে দাগগুলো বড় হয় এবং মরিচ পচতে শুরু করে।
প্রতিকার: আক্রান্ত গাছ সংগ্রহ করে নষ্ট করে দিতে হবে। এছাড়া প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি টিল্ট মিশিয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পরপর দুবার করে স্প্রে করতে হবে।

মাকড়
গাছে খাদ্য তৈরি ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘিœত হয়। গাছের পাতা ফ্যাকাশে হয়ে যায় এবং নিচের দিকে বেঁকে যায়। ফলে শিরাগুলো মোটা এবং কচি কাণ্ড লালচে আকার ধারণ করে। বয়স্ক গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে ফুল ঝরে পড়ে। লার্ভা ও পূর্ণ বয়স্ক মাইট পাতার নিচের দিক খেতে থাকে।
প্রতিকার: এ রোগে আক্রান্ত হলে সেচ প্রয়োগের মাধ্যমে আক্রমণ কমানো যেতে পারে। মরিচ সংগ্রহের সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে সংগ্রহকারীর কাপড় বা শরীর দ্বারা মাইটগুলো আক্রান্ত গাছ থেকে সুস্থ গাছে ছড়াতে না পারে। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে সালফার-জাতীয় মাকড়নাশক প্রয়োগ করতে হবে। মাইটগুলো সাধারণত পাতার নিচে থাকে। তাই স্প্রে করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন পাতার নিচের অংশ সম্পূর্ণভাবে ভিজে যায়।

ব্লাইট
এ রোগে আক্রান্ত হলে গাছের মূল, কাণ্ড ও পাতায় ক্ষতি হয়। এতে কাণ্ড কালো রঙ ধারণ করে শুকিয়ে যায়। অতঃপর ধীরে ধীরে গাছ মরে যায়।
প্রতিকার: জমিতে অবশ্যই নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।

কাণ্ড পচা
এ রোগ আক্রান্ত হলে মাটির কাছাকাছি কালো দাগ দেখা যায়। পরে দাগগুলো বড় হয়ে কাণ্ডসহ পাতা নষ্ট করে।
প্রতিকার: রোগটি দেখা দিলে ছত্রাকনাশক যেমন ব্যাভিস্টিন বা নোইন প্রতি লিটার পানিতে এক গ্রাম করে মিশিয়ে দিনে দুবার স্প্রে করতে হবে।

হোয়াইট মোল্ড
ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়। এতে পাতার বোটা, কাণ্ড ও ফলে সাদা তুলার মতো বস্তু দেখা যায়। এমনকি এ রোগে আক্রান্ত হলে পুরো গাছ মরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রতিকার: প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত ফল, পাতা ও ডগা অপসারণ করা উচিত। প্রপিকোনাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক টিল্ট ২৫০ ইসি ০.৫ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে তিনবার শেষ বিকালে স্প্রে করতে হবে।

পুষ্টিগুণে ঠাসা
মরিচ এক ধরনের ফল। গোটা বিশ্বে পরিচিত একটি ফল বা সবজি এ মরিচ। রান্নায় স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি ঔষধি হিসেবেও এটি সব অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তরকারি, স্যুপ বা সস তৈরিতে প্রয়োজন মরিচ। দেখে নিন এর পুষ্টিগুণ।
# এখন পর্যন্ত জানা তথ্যমতে, ভিটামিন ‘সি’ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় মরিচে সে কাঁচাই হোক আর পাকা
# বিশ্বের তাবৎ সেরা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের মতো মরিচেও রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘এ’
# মরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ খণিজ। ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’র পাশাপাশি আয়রন ও পটাসিয়ামের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস এটি
# চিকিৎসকদের মতে, মানসিক অবসাদ ভুলিয়ে দেয় মরিচ
#এছাড়া ত্বকের ছোটখাট ক্ষত সারাতে মরিচ একটি চমৎকার দাওয়াই
# মরিচে চর্বি ও কোলেস্টেরল একেবারে নেই। তাই মেদভুঁড়ি কমাতে মরিচ খান সব খাবারে
# সবুজ মরিচে ক্যাপসাইসিন নামে এক ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে। এটি হজমে সহায়তা করে
# ত্বকের বলিরেখা দূর করে
# সাইনাস, ফুসফুসসহ শ্বাস-প্রশ্বাস বদ্ধতা দূর করে কাঁচামরিচ
# কাঁচামরিচ নিবৃত্ত করে পাকস্থলির ক্যানসার
# গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের সুগার লেভেল ভালো রাখে কাঁচামরিচ।

সর্বশেষ..



/* ]]> */