স্পোর্টস

মারিয়া-সানজিদাদের মন ভার…

ক্রীড়া প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের ফুটবলার মারিয়া মান্ডা, সানজিদা আক্তার, তহুরা খাতুন, মারজিয়া আক্তার ও শামনুন্নাহাররা ময়মনসিংহের ধোবাউরা উপজেলার কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। শুধু তাই নয়, সেখান থেকেই তাদের ফুটবলের হাতে খড়ি। রয়েছে কতশত স্মৃতি। কিন্তু গত পরশু ভোরে ওই স্কুলের অফিসকক্ষে দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় মেয়ে ফুটবলারদের ট্রফি, পদক ও সনদ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাই তাদের মন ভার। গতকাল বাফুফে ভবনের পাশে টার্ফে দাঁড়িয়ে দুই সিনিয়র খেলোয়াড় মারিয়া মান্ডা ও সানজিদা আক্তার এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশপাশি বিচার চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।
গত পরশু ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আগুন লাগলেও গতকালই মারিয়া মান্ডারা তা জানতে পেরেছেন। এর পর থেকেই তাদের মন খারাপ। এ ব্যাপারে মারিয়া বলেন, ‘আমরা প্রথমে জানতাম না ব্যাপারটি। আজ (গতকাল) সকালে আমাদের স্যার (কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন) সবাইকে জানিয়েছেন আমাদের স্কুলে এমন একটা ঘটনা ঘটেছে। এর পর থেকে সবার মন খারাপ। আমরা যখন ভালো রেজাল্ট করি তখন আমাদের মেডেল হাতে দিয়ে দেওয়া হয়। যারা জুনিয়র তাদের অনেকের ট্রফি, মেডেল ও সনদ অফিস রুমে ছিল।’
কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবশ্য মারিয়া মান্ডার কোনো ব্যক্তিগত পুরস্কার নেই। তবে দলীয়ভাবে অর্জন করা ট্রফিগুলো স্কুলেই ছিল। সেগুলো পুড়ে যাওয়ায় অনেক খারাপ লাগছে তার। শুধু তা-ই নয়, এ ঘটনার সু®ু¤ বিচারও চেয়েছেন তিনি, ‘ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলো সব বাসায় নিয়ে রেখেছিলাম। তবে দলীয়ভাবে অর্জন করা ট্রফিগুলো স্কুলেই ছিল। শোনার পর থেকে অনেক মন খারাপ। আমরা চাই এর সুস্ঠ বিচার হোক। তদন্ত হলে দোষীদের বের করা যাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এর বিচার চাই। যারা এমন কাজ করেছে তাদের যেন শাস্তি দেওয়া হয়। এসব ঘটনা ঘটলে আমাদের জন্য সমস্যা। এমন হলে তো আমরা এগুতে পারব না। যারা অপরাধ করেছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। আমরা এর নিন্দা জানাই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলে আমরা দোষীদের শাস্তি দিতে বলব।’
মারিয়ার মতো ওই স্কুলের ছাত্রী ছিলেন সানজিদা। গতকাল সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই ঘটনা শোনার পর থেকেই মন ভার তার। যে ব্যক্তিরা এমন জঘন্য কাজ করেছে তাদের শনাক্ত করে যেন শাস্তি দেওয়া হয়। এটাই এখন তার একমাত্র চাওয়া ‘সকালে শুনেছি ওই ঘটনা। খুব খারাপ লাগছে। আমরা ওই স্কুলে পড়েছি। ওই স্কুলের মাঠে অনেক খেলেছি। যে ব্যক্তিরা এমন জঘন্য কাজ করেছে তাদের শনাক্ত করে যেন শাস্তি দেওয়া হয়। আমার ব্যক্তিগত ট্রফি, সনদ ও পদক বাসায় আছে। দলীয়ভাবে জেতা স্মৃতিগুলো ছিল স্কুলে। তবে জুনিয়র মেয়েদের সনদ, পদক ও ট্রফি পুড়ে গেছে।’

সর্বশেষ..