মিরাকলের ঋণমান ‘এ-’ ও ‘এসটি-৩’

নিজস্ব প্রতিবেদক : মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ঋণমান নির্ণয়কারী প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এ-’ এবং স্বল্পমেয়াদি ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন ২০১৭ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩১ মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।
সর্বশেস কার্যদিবসে শেয়ারদর এক দশমিক শূন্য আট শতাংশ বা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৪৭ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৪৬ টাকা ৬০ পয়সা। দিনজুড়ে ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৯৬৬টি শেয়ার মোট এক হাজার ৬৫০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর চার কোটি ৯৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৪৫ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪৭ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৩৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৬৮ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।
২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি সাত শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে এক শতাংশ কম। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ২৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৪৩ টাকা ৫৬ পয়সা। এটি আগের বছর ছিল যথাক্রমে এক টাকা ২৩ পয়সা ও ৪৫ টাকা ৭০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে তিন কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল তিন কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৯৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাতে ৩৭ দশমিক ২৮ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৩৮ দশমিক ৪১।
কোম্পানিটির মোট তিন কোটি ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১০৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৩ দশমিক ৪২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৫৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার।
চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৩০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ২৬ পয়সা ছিল। অর্থাৎ ইপিএস চার পয়সা বেড়েছে। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ৪৩ টাকা ৮৬ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন ছিল ৪৩ টাকা ৫৬ পয়সা। ওই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২৮ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে দুই পয়সা। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৫৩ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৫৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি হয় ৪৪ টাকা ১৩ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ৪৩ টাকা ৫৬ পয়সা।