প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

মুনাফা তোলার প্রবণতায় ছিল বাজার

রুবাইয়াত রিক্তা: দুদিন দর বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মুনাফা তোলার প্রবণতা ছিল পুঁজিবাজারে। যে কারণে প্রায় সব খাতেই ছিল দরপতনের আধিক্য। সূচক নেতিবাচক থাকলেও লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৮ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। বেড়েছে ৩১ শতাংশ কোম্পানির দর। গতকাল বিমা, ওষুধ ও রসায়ন খাত লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া হঠাৎ করে চামড়াশিল্প খাতের ফরচুন শুজের শেয়ারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে কোম্পানিটি। তবে এ খাতের অন্য কোম্পানিগুলো দরপতনে ছিল।
গতকাল মোট লেনদেনের ১৮ শতাংশ হয় বিমা খাতে। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ৯০ পয়সা দর বেড়েছে। ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে চার টাকা ৮০ পয়সা। ছয় শতাংশ বেড়ে ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৬ শতাংশ। এ খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। বীকন ফার্মার সাড়ে ২৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে ছিল। ওরিয়ন ইনফিউশন দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। দর বেড়েছে সোয়া চার শতাংশ। এরপর চামড়াশিল্প খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতের ফরচুন শুজের প্রায় ৩৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে। দর বেড়েছে এক টাকা ৪০ পয়সা। চামড়াশিল্প খাতের মোট লেনদেনের ৯৪ শতাংশই ফরচুন শুজের দখলে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৫৫ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। প্রায় পাঁচ শতাংশ বেড়ে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। ন্যাশনাল পলিমারের সোয়া ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়; দর বেড়েছে চার টাকা ৩০ পয়সা। ইতালিভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে রানার গ্রুপের একটি চুক্তি হয়েছে। এর মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানিটি বিভিন্ন মডেলের বাণিজ্যিক যানবাহন, যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও বিক্রি-পরবর্তী সেবা দান করবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছুদিন আগে রানার অটোমোবাইলের শেয়ারদর অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কয়েক দিন সংশোধনের পর গত তিন দিন ধরে শেয়ারটির দর বাড়ছে। গতকাল প্রায় সাত কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে দুই টাকা। এছাড়া বিবিধ খাতের সিনোবাংলার প্রায় সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে প্রায় দেড় টাকা। ব্যাংক খাতের লেনদেন নেমেছে মাত্র চার শতাংশে। সিরামিক খাত, পাট খাত শতভাগ নেতিবাচক ছিল। ছয় মিউচুয়াল ফান্ড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে।

সর্বশেষ..



/* ]]> */