মুন্সীগঞ্জে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি

মুন্সীগঞ্জে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। পাঠক যেন সহজে বই পড়তে পারে সেজন্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী জেলার সব উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে এ লাইব্রেরি। এখান থেকে বই ধার করেন পাঠকরা।
প্রায় পাঁচ হাজার বইয়ের মধ্য থেকে নিজের পছন্দের বই খুঁজে বের করে কার্ডের মাধ্যমে লাইব্রেরি থেকে বই ইস্যু করা হয় এক সপ্তাহের জন্য। এক সপ্তাহে পড়ে শেষ করতে না পারলে পরের সপ্তাহের জন্য ইস্যু করা বই নবায়ন করা যায়। শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন পেশার নানা বয়সী পাঠক ভ্রাম্যমাণ এ লাইব্রেরির জন্য পুরো সপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করেন।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সদস্য ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তিতলি বানু জানায়, প্রতি রোববার লাইব্রেরির গাড়ি আমাদের স্কুলে আসে। আমি সপ্তাহে একটি করে বই সংগ্রহ করে পড়ি। আরেক শিক্ষার্থী ঝুমু খাতুন জানায়, ১০০ টাকা জামানত দিয়ে আমি লাইব্রেরির সদস্য হয়েছি। এখন প্রতি মাসে ১০ টাকা দিই। সদস্য হয়ে আমি এখান থেকে বই নিতে পারি, পড়তে পারি।
মুন্সীগঞ্জের প্রায় ৩০টি বিদ্যালয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি অবস্থান করে। বিদ্যালয় ছাড়া অন্য আরও ২৫টি স্থানে গাড়িটি অবস্থান করে।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মুন্সীগঞ্জ ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সহকারী লাইব্রেরিয়ান ত্রিদীপ অধিকারী দ্বীপ বলেন, শিডিউল অনুযায়ী বিভিন্ন স্পটে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি যায়। ৩০ মিনিট থেকে দুই ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে। এ সময়ে লাইব্রেরির সদস্যরা মধ্যে বই দেওয়া-নেওয়া করে। লাইব্রেরিতে দুই ধরনের সদস্য নেওয়া হয়Ñসাধারণ ও বিশেষ সদস্য। সাধারণ সদস্যের জন্য ১০০ টাকা ও বিশেষ সদস্যের জন্য ২০০ টাকা জামানত দিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, মুন্সীগঞ্জে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সদস্য দুই হাজার ৪শ’। তাদের মধ্যে শ্রীনগর উপজেলার সদস্য সবচেয়ে বেশিÑপ্রায় ছয় শতাধিক। দিন দিন লাইব্রেরির সদস্য বাড়ছে বলে জানান তিনি।

শেখ মোহাম্মদ রতন