হোম কোম্পানি সংবাদ মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই হাক্কানী পাল্পের

মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই হাক্কানী পাল্পের


Warning: date() expects parameter 2 to be long, string given in /home/sharebiz/public_html/wp-content/themes/Newsmag/includes/wp_booster/td_module_single_base.php on line 290

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই হাক্কানী পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেডের। সম্প্রতি অস্বাভাবিকভাবে দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানিটি এমন তথ্য জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সম্প্রতি কোম্পানিটির অস্বাভাবিকভাবে দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে বলে জানায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

চলতি মাসের ৪ তারিখে কোম্পানির শেয়ারদর ছিল ৭৪ টাকা ৫০ পয়সা, যা গত বৃহস্পতিবার লেনদেন হয় ৯০ টাকা ১০ পয়সায়। এ হিসাবে তিন কার্যদিবসে দর বেড়েছে ১৫ টাকা ৬০ পয়সা। আর এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই।

সর্বশেষ কার্যদিবসে শেয়ারদর শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ৮০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৮৯ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৯০ টাকা ১০ পয়সা। দিনজুড়ে ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৭টি শেয়ার মোট এক হাজার ৯৬৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর আট কোটি ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৮৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৯৭ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ৪১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৯৭ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

পেপার ও মুদ্রণ খাতের ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানি ২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় লোকসান হয়েছে ৭২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা দুই পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

২০১৫ সালেও পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৫ পয়সা এবং এনএভি ৩০ টাকা ২৩ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ কোটি ১২ লাখ টাকা।

ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (সিআরআইএসএল) রেটিং অনুযায়ী দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘বিবিবি+’ ও স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

কোম্পানিটির মোট এক কোটি ৯০ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৫৫ দশমিক ৫২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক আট দশমিক ৩২ শতাংশ এবং বাকি ৩৬ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।