মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই আরামিট সিমেন্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডের। সম্প্রতি অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানিটি এমন তথ্য জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সম্প্রতি কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে বলে জানায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

চলতি মাসের ৪ তারিখে কোম্পানির শেয়ারদর ছিল ৩৯ টাকা ৭০ পয়সা, যা গত রোববার লেনদেন হয় ৪৬ টাকা ১০ পয়সায়। এ হিসাবে চার কার্যদিবসে দর বেড়েছে ছয় টাকা ৪০ পয়সা। আর এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই।

গতকাল শেয়ারদর পাঁচ দশমিক ২১ শতাংশ বা দুই টাকা ৪০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৪৩ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৪৪ টাকা ১০ পয়সা। দিনজুড়ে ১০ লাখ ৮২ হাজার ১৯৩টি শেয়ার মোট এক হাজার ২২৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর চার কোটি ৯৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৪৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪৭ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ২৯ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৪৯ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

সিমেন্ট খাতের ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ওই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৩৩ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে দুই কোটি ৮৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৪ সালে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের সমান। ওই সময় ইপিএস হয়েছিল ৫১ পয়সা ও এনএভি ছিল ১৫ টাকা ৪৯ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৫৬ পয়সা ও ১৬ টাকা ২২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে এক কোটি ৫২ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল চার কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ছয় কোটি ১৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (ইপি) অনুপাত ৫২ দশমিক পাঁচ। কোম্পানিটির তিন কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার রয়েছে।