মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বিএটিবিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই ব্রিটিশ আমেরিকা টোবাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটিবিসি)। সম্প্রতি অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানিটি এমন তথ্য জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সম্প্রতি কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে বলে জানায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

গত মাসের ৮ তারিখ কোম্পানির শেয়ারদর ছিল তিন হাজার ৬৭ টাকা ৮০ পয়সা, যা গতকাল লেনদেন হয় তিন হাজার ৫২০ টাকা ৪০ পয়সায়। এ হিসাবে গত এক মাসে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৪৫২ টাকা ৬০ পয়সা। আর এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই।

গতকাল শেয়ারদর দশমিক ২৬ শতাংশ বা ৯ টাকা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ তিন হাজার ৫০০ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল তিন হাজার ৫২০ টাকা ৪০ পয়সা। দিনজুড়ে ৩৫৩টি শেয়ার মোট ৪৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ তিন হাজার ৫০০ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫৭০ টাকায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর দুই হাজার ৪০০ টাকা থেকে তিন হাজার ৫৭৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৬০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি। সেই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২৬ টাকা ৩৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩১৪ টাকা ৭১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৯৭ টাকা ৯০ পয়সা ও ২৪৩ টাকা ৪৯ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৭৫৮ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এটি আগের বছর ছিল ৫৮৭ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানিটি ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৮২৯ কোটি ২০ লাখ টাকা।