সুস্বাস্থ্য

যোগব্যায়াম করুন, সুস্থ থাকুন

সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন থাকা বাঞ্ছনীয়। শারীরিক সুস্থতার জন্য দরকার সুষম খাবার, ইতিবাচক চিন্তা ও পরিশ্রম। তবে দেহ থাকবে সুস্থ, মন থাকবে সজীব। পাশাপাশি দৈহিক সৌন্দর্যও অটুট রবে। এ পুরো প্রক্রিয়াটির জন্য শরীরচর্চা কিংবা ব্যায়ামের বিকল্প নেই। এখানেই আসে যোগব্যায়ামের বিষয়টি। তুলনাহীন এ ব্যায়াম বিশ্বের সব দেশে বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয়। আসলে স্বল্পপরিসর মেঝে কিংবা বিছানায় সেরে ফেলা যায় এ ব্যায়াম। তাই ব্যায়ামের প্রতি অনীহা কিংবা লজ্জাবোধ থাকলেও নিশ্চিন্তে যোগব্যায়াম করতে পারেন আপনিও।

উপকারিতা
# মানসিক চাপ কমায়
# হৃদযন্ত্রকে আরও সুষ্ঠুভাবে রক্ত সঞ্চালনে সক্ষম করে
# ওজন নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর
# যোগব্যায়ামের ফলে দেহ পায় শক্তি
# স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
# ঘাড়, হাঁটু বা পিঠের ব্যথা নিরসনে কাজ করে
# ঘুমের সমস্যা দূর করে
# মাইগ্রেনের রোগীদের থেরাপির মতো কাজ করে
# মন-মেজাজ ভালো করে। উদ্যমী করে তোলে
# সুখকর অনুভূতি দেয় ইয়োগা। দীর্ঘমেয়াদি সুখলাভে যোগব্যায়াম উপকারী

কয়েকটি পজিশন
চেয়ার পোজ: পায়ের জন্য কার্যকর এ চেয়ার পোজ। পা শক্ত করে এ ব্যায়াম। পায়ের সঙ্গে কাঁধ ও দেহের অন্যান্য অংশও শক্ত করে
ওয়ারিয়র পোজ: দেহের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক এটি। মাসল স্ট্যামিনা ও ব্যালেন্স তৈরিতে সহায়ক ওয়ারিয়র পোজ। মূলত হাত, পা ও কোমরের জন্য কার্যকর এ পোজ, যা পুরো দেহকে ব্যালেন্স করার জন্য উপযোগী করে তোলে
ডলফিন পোজ: নমনিয়তা ও শক্তিশালী কাঁধের জন্য উপকারী এ ডলফিন পোজ। বিষন্নতা উপশমেও এর ভূমিকা রয়েছে
ডলফিন প্লাংক: পেটের মাংসপিণ্ডসহ দেহের সব নরম অংশকে দৃঢ় করে ডলফিন প্লাংক। মূলত সব নরম মাংসপিণ্ডকে বার্ন করে এ ব্যায়াম। ফলে কমে যায় মেদ
সাইড প্লাংক: নরম মুষ্টি শক্তিশালী করতে সাইড প্লাংক ভীষণ উপকারী। এ পজিশনটিও নমনীয়তা, মেদ কমানো ও বিষন্নতা থেকে পরিত্রাণে সহায়তা করে
পুশ আপ: পিঠ ও হাতের জন্য উপকারী ব্যায়াম পুশ আপ। এটি একটি সাধারণ পজিশন। তবে এর কার্যকারিতা অতুলনীয়। ওজন কমানোর জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ
ফোর লিম্বড স্টাফ পোজ: হাতের স্ট্যামিনা বাড়াতে কার্যকর এ পজিশনটি। পুশ আপ পজিশনে থেকেও এ ব্যায়ামটি করা যায়
বুট পোজ: দেহভঙ্গির উন্নতিসাধনে কাজ করে বুট পোজ। সহনশীলতা বৃদ্ধি করে
দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে
স শুধু অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিই নয়, হালকা-পাতলা, লিকলিকে গঠন কিংবা ওজন কম এমন মানুষের ব্যায়াম করা উচিত। কর্মক্ষম থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম করা দরকার।
স সারা দিন কর্মক্ষম থাকতে হয়। তাহলে আবার ব্যায়াম কেন? এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অনেক রোগ ওষুধে সারে না। ব্যায়াম তখন মহৌষধের মতো কাজ করে। ব্যাকপেইন, স্পন্ডিওলাইটিস, নারীদের পিরিয়ডের মতো অনেক রোগের পাশাপাশি অনেক মনোদৈহিক রোগ সারিয়ে তোলে যোগব্যায়াম।

 

 

সর্বশেষ..