রাম রহিমের ডেরায় অভিযান, খোঁজা হচ্ছে সুড়ঙ্গ

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের সিরসায় দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করতে শুরু করা স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের আস্তানা ডেরা সাচ্চা সৌদায় অভিযান শুরু করেছেন সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন আধা সামরিক বাহিনীর শত শত সেনা, ৫০ ভিডিওগ্রাফার ও এক ডজনের বেশি তালা-চাবির কারিগর। গোপন সুড়ঙ্গ খুঁজে বের করতে নেওয়া হয়েছে মাটি খোঁড়ার যন্ত্র। এ ছাড়া অভিযানে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বোম স্কোয়াড, কমান্ডো, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ট্রাক।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আজ শুক্রবার এই তল্লাশি শুরু হয়। প্রায় ৮০০ একর জায়গায় এই অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক বিচারক এ কে এস পাওয়ার। তাঁর সঙ্গী হয়েছেন ৭০ জন প্রত্যক্ষদর্শী।

জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক ও বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য আলোচিত রাম রহিমের ডেরার সীমান্তের ভেতর সাততারকা রিসোর্টে রয়েছে আইফেল টাওয়ার, তাজমহল, ক্রেমলিন ও ডিজনি ওয়ার্ল্ডের রেপ্লিকা।

ডেরার সর্বত্র আছে ডেরাপ্রধানের ছবি। এতে আরো আছে একটি ‘আন্তর্জাতিক স্কুল’, কিছু দোকান, একটি হাসপাতাল, একটি স্টেডিয়াম, বাড়িঘর ও সিনেমা হল।

ডেরায় গোলাপি রঙের যে বাড়িটি আছে, সেটি রাম রহিমের গুফা (আস্তানা) হিসেবে পরিচিত। সেই বাড়িতে বসেই ভক্তদের ধর্ষণ করেছিলেন রাম রহিম।

অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে হরিয়ানা রাজ্য পুলিশের প্রধান বি এস সন্ধু বলেন, ‘ডেরা চত্বরে বিশাল জায়গা আছে। তাই পুরো প্রক্রিয়া (তল্লাশিসহ অন্যান্য কার্যক্রম) শেষ করতে অনেক সময় লাগবে।’