হোম দিনের খবর রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের জন্য আরও ২০০০ একর জমি বরাদ্দ

রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের জন্য আরও ২০০০ একর জমি বরাদ্দ


Warning: date() expects parameter 2 to be long, string given in /home/sharebiz/public_html/wp-content/themes/Newsmag/includes/wp_booster/td_module_single_base.php on line 290

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আবাস তৈরির জন্য কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং মৌজায় বর্তমান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে নতুন করে ২ হাজার একর জমি বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়েছেন।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে মঙ্গলবার কক্সবাজার ও উখিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে স্রোতের মতো ভেসে আসা রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকট দেখতে তিনি কক্সবাজার ও উখিয়ায় যাবেন।

উখিয়া যাওয়ার আগেই রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী আবাস তৈরির জন্য এই জমি বরাদ্দ দিলেন তিনি।

সেই সঙ্গে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন শুরু হওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেন প্রতিমন্ত্রী। মোট ১৭টি পয়েন্টে এই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলবে। রোহিঙ্গা বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষও খোলা হয়েছে।

২০১৬ সালের শুরু থেকে যে সব রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করেছে তাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হবে। এজন্য ১৭ টি পয়েন্ট সনাক্ত করা হয়েছে। এসব পয়েন্টে তাদের ডিজিটাল নিবন্ধন করা হবে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর বহুদিন ধরে চলমান সংঘর্ষ-সহিংসতা সঙ্কট সমাধানে ২০১৬ সালের আগস্টে গঠিত হয় অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেট। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে ওই কমিশন এক বছরের তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান অং সান সু চির কাছে জমা দেয় চলতি বছরের ২৪ আগস্ট।নিরাপদ অঞ্চল-রোহিঙ্গা

৬৩ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে ত্রিশটি পুলিশ ও সেনাচৌকিতে রহস্যজনক হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য। তারপরই হামলার জন্য রোহিঙ্গা ‘জঙ্গি’দের দায়ী করে জবাব হিসেবে সেনাবাহিনী পুরো অঞ্চলে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।

সেনাবাহিনীর ওই হামলায় এখনও পর্যন্ত ৪শ’র বেশি মানুষ মারা গেছে, আর প্রাণভয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে বাংলাদেশে। নৌপথে পালিয়ে আসার পথে নৌকাডুবিতেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন না করার উদ্দেশ্যেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এই হত্যাকাণ্ড শুরু করে।