কোম্পানি সংবাদ

লভ্যাংশ পাঠিয়েছে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ও ইসলামী ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সবশেষ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড: ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৫৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫৬ পয়সা।
২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নগদ ও শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা তার আগের বছরের সমান। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করে ১ টাকা ৪৯ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৬ পয়সা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ১ টাকা ৪৪ পয়সা ও ১৮ টাকা ৫৯ পয়সা। ২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানি। অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৬ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট তিন কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৩টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ দশমিক ১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২৮ দশমিক ১৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪১ দশমিক ৮১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সালের সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করে তিন টাকা ৯২ পয়সা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল তিন টাকা ছয় পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩০ জুন ২০১৮ দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩১ টাকা ৪৭ পয়সা।
ব্যাংক খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর আগের তিন বছর অর্থাৎ ২০১৭, ২০১৬ ও ২০১৫ সালের সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে যথাক্রমে তিন টাকা ছয় পয়সা, দুই টাকা ৭৮ পয়সা ও এক টাকা ৯৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৩১ টাকা ৪৭ পয়সা, ৩০ টাকা ৩৪ পয়সা ও ২৯ টাকা ৩৭ পয়সা। দুই হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৬১০ কোটি টাকা। কোম্পানিটির মোট ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ..



/* ]]> */