প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেন ও চাহিদার শীর্ষে বস্ত্র খাত

 

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন হতে দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ডিএসইএক্স ও ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক সামান্য বাড়লেও কমেছে ডিএস৩০ সূচক। লেনদেনও কমেছে। ৪৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কমেছে ৪৭ শতাংশের দর। তা সত্ত্বেও সূচকের গতি ইতিবাচক ছিল। গতকাল লেনদেন ও দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে ছিল বস্ত্র খাত। জুন ক্লোজিং হওয়ায় সামনে এ খাতের কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণা করা হবে, যে কারণে বাড়ছে লেনদেন। অন্যদিকে বিমা খাতে ৬৫ শতাংশ শেয়ারদর বাড়লেও লেনদেন কমে সাত শতাংশে নেমে এসেছে। মাঝারি আকারের খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ইতিবাচক ছিল বিবিধ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি খাত। গ্রামীণফোনের লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে বন্ধ থাকায় সূচকে ইতিবাচক বা নেতিবাচক কোনো প্রভাব ছিল না।
মোট লেনদেনের ১৪ শতাংশ বা প্রায় ৬৬ কোটি টাকা হয় বস্ত্র খাতে। এ খাতে ৬৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় ছয়টি ছিল বস্ত্র খাতের। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে শীর্ষে উঠে আসে আলহাজ টেক্সটাইল। ড্রাগন সোয়েটারের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ, স্টাইল ক্রাফটের দর সাড়ে সাত শতাংশ, সায়হাম টেক্সটাইলের দর সোয়া সাত শতাংশ, কাট্টলি টেক্সটাইল প্রায় ছয় শতাংশ ও জাহিন স্পিনিংয়ের দর পৌনে ছয় শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া জেনেক্স ইনফোসিসের ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ২০ পয়সা। স্টাইল ক্রাফটের সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ। এ খাতে বিক্রির চাপ থাকায় ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। তবে ছয় শতাংশ বেড়ে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। ইন্দোবাংলা ফার্মার প্রায় ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। বীকন ফার্মার প্রায় সাড়ে নয় কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয়। সিলকো ফার্মার সোয়া আট কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ২০ পয়সা। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৪৫ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের মুন্নু জুট স্টাফলার্সের দর সোয়া ছয় শতাংশ বেড়েছে। বিবিএস কেব্লসের আট কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে দুই টাকা ৬০ পয়সা। বিবিধ খাতে ৫৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। এছাড়া বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ১৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ২০ পয়সা। তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৭৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সোয়া ৯ শতাংশ বেড়ে ইনটেক লিমিটেড দরবৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে চলে আসে। জ্বালানি খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইউনাইটেড পাওয়ারের ২১ কোটি টাকা লেনদেন হলেও আড়াই টাকা দরপতন হয়। সাড়ে ২৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসা মুন্নু সিরামিকের দর ১৭ টাকা ৭০ পয়সা কমেছে। ব্যাংক খাতে ৫০ শতাংশ কোম্পানির দর বাড়লেও লেনদেন পাঁচ শতাংশে নেমেছে। এছাড়া দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় ৯টি ছিল মিউচুয়াল ফান্ড।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..



/* ]]> */