সারা বাংলা

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ঢাকামুখী যাত্রীর ঢল

প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ: ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীসহ কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। এ কারণে যাত্রীদের ঢল নেমেছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে। ঈদের আগে বাড়ি ফেরার তাড়া থাকলেও এখন তাদের বেশিরভাগেরই ফিরতি গন্তব্য রাজধানী ঢাকা।
গত শনিবার থেকে গতকাল সোমবার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাটে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। যাত্রীদের দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টিকিট কেটে লঞ্চ ও স্পিডবোটে উঠতে দেখা গেছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় অনেক যাত্রী এসব যানবাহন এড়িয়ে ফেরিতে পাড়ি দিচ্ছে পদ্মা।
এদিকে যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করছেন। এছাড়া যাত্রীসেবা নির্বিগ্ন করতে জেলা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিমও কাজ করছে।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, দঞ্চিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যাতায়াতের জন্য শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুট ব্যবহার করে। ঈদে যাত্রীসেবায় ২১টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ ও দেড় শতাধিক স্পিডবোট রাখা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিন শতাধিক সদস্য সার্বক্ষণিকভাবে ঘাটগুলোতে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তার বিষয় দেখভাল করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারিতে রাখা হয়েছে পুরো শিমুলিয়া ফেরিঘাট। তবে সচেতন অনেক যাত্রী লঞ্চ ও স্পিডবোটের পরিবর্তে ফেরিতে পার হচ্ছে।
প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন মুন্সীগঞ্জে পল্লি বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সহস্রাধিক ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধন চলাকালে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর ফরহাদ হোসেন আবিরের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তৃতা করেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হামিদা খাতুন, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন জাকির, মাসুদ রানা, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, অটল দে, সুমন লাল প্রমুখ।
পরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানা, পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত বিক্ষোভকারীরা এক মাসের মধ্যে জেলা শহর ও শহরতলির সব প্রি-পেইড মিটার খুলে আগের মিটার প্রতিস্থাপনের দাবি জানান। এর অন্যথা হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এছাড়া গ্রাহকদের পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয় ওই প্রতিবাদ সভায়।

সর্বশেষ..