সুস্বাস্থ্য

শিশুর পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি প্রতিরোধে করণীয়

পুষ্টিহীনতার কারণে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। তাই এ বিষয়টি সম্পর্কে উদাসীন না থেকে সচেতন হতে হবে অভিভাবককে। পুষ্টিহীনতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে তাদের। এজন্য প্রথমে জানতে হবে পুষ্টিহীনতার কারণ:

পুষ্টিহীনতার কারণ
# পারিবারিক অশিক্ষা ও দারিদ্র্য
# মা-বাবার পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞানের অভাব
# সুষম খাদ্যের অভাব
# ক্রনিক রোগের কারণে খাবারে অরুচি
# দীর্ঘদিন ধরে চলা ডায়রিয়া
# লিভারসহ পরিপাকতন্ত্রের রোগ থাকলে
# অস্বাস্থ্যকর উপায়ে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও রান্না করা
# খাবারে ভেজাল
# কৃমি
#  খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব।

পুষ্টিহীনতার তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকি
# শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
# ঘন ঘন রোগে আক্রান্ত হয়
# রোগ থেকে সুস্থ হতে বেশি সময় লাগে
# খাবারে অরুচি দেখা দেয়
# অস্বাভাবিক আচরণ করে
# অমনোযোগী হয়
# ক্লান্ত ভাব বিরাজ করে
# ত্বক ও চুলের স্বাভাবিক রঙে পরিবর্তন ঘটে

দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি
# রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
# বয়স ও উচ্চতা অনুসারে ওজন ও উচ্চতা বাড়ে না
# শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হয় না
# মুখ, পেট ও পায়ে পানি আসে
# রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
# পড়ালেখায় অমনোযোগিতা দেখা দেয়
#কর্মদক্ষতা কমে যায়
# চোখে কম দেখার সমস্যা হতে পারে
# মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে

পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে করণীয়
# পরিবারের সবাইকে স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত জ্ঞান বাড়াতে হবে
# শিশুর পুষ্টিহীনতার সঠিক কারণ বের করে চিকিৎসা করতে হবে
# জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে
# সাত মাস বয়স থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি পাতলা সবজি-খিচুড়ি, ডিমের কুসুম প্রভৃতি খাবার খাওয়াতে হবে
# সময়মতো সব টিকা দিতে হবে
# খাওয়ানোর সময় ভালোবাসা ও যত্ন নিয়ে খাওয়াতে হবে
# যেসব খাবারে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে, সেসব খাবার
খাওয়াতে হবে
# পুষ্টিহীন শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে
# নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে
# পরিবার পরিকল্পনা মেনে চলতে হবে
# দুটি সন্তানের মধ্যে বয়সের আদর্শ দূরত্ব বজায় রেখে সন্তান নিতে হবে

 

সর্বশেষ..