শেয়ার কিনবেন ঢাকা ব্যাংকের উদ্যোক্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা রাখী দাশগুপ্ত শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রাখি দাশগুপ্ত কোম্পানিটির ১৪ হাজার শেয়ার কিনবেন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি বর্তমান বাজারদরে পাবলিক মার্কেট থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন করবেন।
সর্বশেষ কার্যদিবসে শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ ১২ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১২ টাকা ৬০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৫ লাখ ৬০ হাজার ৪৪২টি শেয়ার মোট ২৭৯ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৯৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১২ টাকা ৪০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১২ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১২ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ২৬ টাকা ৩০ পয়সায় ওঠানামা করে।
২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের বিনিয়োগকারীদের কোম্পানিটি সাড়ে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ২৩ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২১ টাকা ৯১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী ঘোষণা করেছে ১৬০ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে ১০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল ছয় শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস। এ সময় ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ২৬ পয়সা এবং এনএভি ২১ টাকা ৬৮ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৪২ পয়সা ও ২১ টাকা ৮৯ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্র্তী মুনাফা করেছে ১৫৫ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৫১ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির এই কোম্পানিটি। এক হাজার কোটি অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৮১২ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৭০ কোটি ২১ লাখ টাকা।
চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস দুই পয়সা কমেছে। ৩১ মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ২২ টাকা ৪৬ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ২০ টাকা ৯২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩৯ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট ৮১ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার ৬৮৫টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে ৩৮ দশমিক শূন্য চার শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের, প্রাতিষ্ঠানিক ২৫ দশমিক ৮২ শতাংশ, বিদেশি শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৩৬ দশমিক শূন্য এক শতাংশ শেয়ার রয়েছে।