শেয়ার বেচবেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের উদ্যোক্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা মো. নুরুল ইসলাম। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির উদ্যোক্তা মো. নুরুল ইসলামের কাছে এক কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৬টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্য থেকে তিন ৯ লাখ শেয়ার বিক্রি করবেন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করতে হবে।

কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য পাঁচ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাসসহ মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল ১৫ শতংশ বোনাস। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৪৪ পয়সা, শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬ টাকা ৬৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৪৩ পয়সা ও ১৭ টাকা ৫০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী আয় করেছে ১০৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এটি আগের বছর ছিল ১৫৯ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০০৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাতে ১০ দশমিক ১৪ ও হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৫ দশমিক ৮৭। এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৭৯১ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

গতকাল কোম্পানিটির ৩৯ লাখ ৮৪ হাজার ২৬৮টি শেয়ার মোট ৭১২ বার লেনদেন হয়। এর বাজারদর ছিল পাঁচ কোটি ৭৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে দুই দশমিক ৮২ শতাংশ বা ৪০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ১৪ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৪০ টাকা ৬০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৪ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৯ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১৫ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। কোম্পানিটির চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ ১৭) ইপিএস হয়েছে ২০ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল ২১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস এক পয়সা কমেছে। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১৬ টাকা ৮৮ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ১৭ টাকা ৭৭ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৫ কোটি ৩৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ৯ পয়সা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৪৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১৫ টাকা ৮৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১৪ টাকা ৮৯ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২০ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট ৭৯ কোটি ১৮ লাখ ছয় হাজার ৯৯৭টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসই’র সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪২ দশমিক শূন্য চার শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক এক দশমিক ৯০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৫৬ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ শেয়ার রয়েছে।