সংশোধনমুখী বাজারে ভালো অবস্থানে প্রকৌশল কাগজ ও সিরামিক খাত

রুবাইয়াত রিক্তা: দুই কার্যদিবস বাজার ইতিবাচক থাকার পর ফের সংশোধন হয়েছে গতকাল। দুই কার্যদিবসে সূচক বেড়েছিল ৬১ পয়েন্ট। গতকাল মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় সূচক কমেছে ৩৮ পয়েন্ট। গতকাল বৃহৎ সব খাতেই সংশোধন হয়েছে। তবে তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। আর ছোট খাতগুলোর মধ্যে গতকাল ভালো অবস্থানে ছিল কাগজ ও মুদ্রণ, সিরামিক ও সিমেন্ট খাত।
গতকাল লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে প্রকৌশল খাত। এ খাতে লেনদেন হয় ১৬৫ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ২০ শতাংশ। এ খাতে ৫০ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে ন্যাশনাল টিউবস, ইফাদ অটোস ও বিবিএস কেব্লস। এসব কোম্পানির শেয়ার দর পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত এবং বস্ত্র খাতে ১৬ শতাংশ করে লেনদেন হয়। জ্বালানি খাতে ৩৬ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। বারাকা পাওয়ারের শেয়ারদর সাড়ে পাঁচ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া খুলনা পাওয়ারের ৮৭ কোটি
৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হলেও দর কমেছে ছয় টাকা। ইউনাইটেড পাওয়ারের ২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৮০ পয়সা। বস্ত্র খাতে মাত্র ২৫ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। এ খাতের এমএল ডায়িংয়ের দর সাড়ে ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এছাড়া শাশা ডেনিমসের দর সাত দশমিক ৬৮ শতাংশ ও ভিএফএস থ্রেডিংয়ের দর ছয় শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। শাশা ডেনিমসের ৩২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৯ শতাংশ লেনদেন হয়। এ খাতে ৩১ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। তবে গতকাল কাগজ ও মুদ্রণ খাতে শতভাগ কোম্পানি, সিরামিক খাতে ৭৫ শতাংশ ও সিমেন্ট খাতে ৭১ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। কনফিডেন্স সিমেন্টের ১৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ব্যাংক খাতে মাত্র ১০ শতাংশ ও আর্থিক খাতে আট শতাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল। বিমা খাতে ২৫ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। এ খাতের প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। এছাড়া টেলিযোগাযোগ খাত, পাট খাত ও করপোরেট বন্ড খাত শতভাগ নেতিবাচক অবস্থানে ছিল।