‘সিএফওকে প্রতিষ্ঠানের সব বিভাগ নিয়ে কাজ করতে হয়’

একটি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন বিভাগ-প্রধানের সাফল্যের ওপর নির্ভর করে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও’র সফলতা। সিইও সফল হলে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা বেশি হয়। খুশি হন শেয়ারহোল্ডাররা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সিইও’র সুনাম। প্রতিষ্ঠানের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও), কোম্পানি সচিব, চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার, চিফ মার্কেটিং অফিসারসহ এইচআর প্রধানরা থাকেন পাদপ্রদীপের আড়ালে। টপ ম্যানেজমেন্টের বড় অংশ হলেও তারা আলোচনার বাইরে থাকতে পছন্দ করেন। অন্তর্মুখী এসব কর্মকর্তা সব সময় কেবল প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকেন। সেসব কর্মকর্তাকে নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন ‘টপ ম্যানেজমেন্ট’। শেয়ার বিজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এবার বায়োফার্মা লিমিটেডের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (গ্রুপ সিএফও) মো. সারোয়ার হোসেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মো. হাসানুজ্জামান পিয়াস

মো. সারোয়ার হোসেন বায়োফার্মা লিমিটেডের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (গ্রুপ সিএফও)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ করেন। সম্পন্ন করেছেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি (সিএ) ও কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্সি (আইসিএমএ) পেশাগত ডিগ্রি। পরবর্তী সময়ে তিনি চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সিআইএমএ) সম্পন্ন করেন। সিপিএ কানাডা ও সিপিএ অস্ট্রেলিয়ার সম্মানিত অ্যাসোসিয়েট তিনি। বর্তমানে আইসিএবি’র ঢাকা রিজিওনাল কাউন্সিলের (২০১৬-১৮) সদস্য। উল্লেখ্য, তিনি এসএসসি ও এইচএসসিতে যশোর বোর্ডে বাণিজ্য শাখায় মেধাতালিকায় যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেন

শেয়ার বিজ: ক্যারিয়ারের গল্প দিয়ে শুরু করতে চাই…

মো. সারোয়ার হোসেন: ক্যারিয়ার শুরু করি ২০০৫ সালে কেপিএমজি বাংলাদেশ (রহমান রহমান হক) চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি ফার্মে অডিট অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। ওই প্রতিষ্ঠানে ২০০৯ সাল পর্যন্ত কাজ করি। এর মধ্যে ২০০৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। এরপর বায়োফার্মা লিমিটেডের ফাইন্যান্স প্রধান হিসেবে যোগ দিই। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে গ্রুপ সিএফও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়া গত বছর আইসিএবি’র ঢাকা রিজিওনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি এবং ঢাকা বাংলাদেশ টোস্টমাস্টার ক্লাবের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করি। এছাড়া আইসিএবি ও আইসিএমএবি’র একাডেমিক রিসোর্স পারসন হিসেবে কাজ করছি।

 শেয়ার বিজ: পেশা হিসেবে ফাইন্যান্সকে কেন বেছে নিলেন?

সারোয়ার হোসেন: স্কুলজীবনে স্বপ্ন দেখতাম চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট হব। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগে ভর্তি হই। এমবিএ শেষ হওয়ার পর চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্সি পড়ার জন্য কেপিএমজি বাংলাদেশে (রহমান রহমান হক) তিন বছরের আর্টিকেলশিপের জন্য যোগ দিই। আর্টিকেলশিপ শেষ হলে ওই প্রতিষ্ঠানেই কর্মজীবন শুরু করি। পরে করপোরেট সেক্টরে চলে আসি। এভাবেই মূলত ফাইন্যান্স পেশায় যুক্ত হই। অ্যাকাউন্টিং হলো ব্যবসায় প্রশাসনের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের মধ্যে সব থেকে টেকনিক্যাল বিষয়, যেটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি বলেই এটাকে পেশা হিসেবে নিয়েছি।

শেয়ার বিজ: প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ফাইন্যান্স কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাই…

সারোয়ার হোসেন: প্রতিষ্ঠানে ফাইন্যান্স কর্মকর্তার ভূমিকা ও গুরুত্ব অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠানের সব গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন অর্থ কর্মকর্তা, যিনি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন দক্ষ লিডার। প্রতিষ্ঠানের ফ্রন্ট লাইনে যারা কাজ করেন তাদের পেছন থেকে সাপোর্ট দেওয়া বা তাদের এগিয়ে নেওয়ার মতো চ্যালেঞ্জিং কাজ অর্থ কর্মকর্তাকেই করতে হয়। কেবল ফান্ড ম্যানেজ করার মধ্যেই তার কাজ সীমাবদ্ধ নয়। ধরুন, ফ্যাক্টরিতে মালামাল স্টক বেশি হয়ে যাচ্ছে, যেহেতু এর মধ্যেও ফান্ড জড়িত তাই স্টক কতটুকু বাড়ছে বা কী হচ্ছে তাও সিএফও’কে দেখভাল করতে হয়। সেলস পলিসি থেকে শুরু করে অন্য পলিসি প্রণয়নে সিএফওকে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকতে হয়। সিএফওকে প্রতিষ্ঠানের সব বিভাগ নিয়ে কাজ করতে হয়। ফরচুন ৫০০-এর এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ সিইও আগে সিএফও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে আয়ের দিক থেকে এগিয়ে থাকা ৫০০ প্রতিষ্ঠান নিয়ে ফরচুন ম্যাগাজিন প্রতিবছর একটি তালিকা প্রকাশ করে, যা ফরচুন ৫০০ নামে পরিচিত। সঙ্গত কারণে বোঝাই যাচ্ছে, ফাইন্যান্স কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানের সব দিক সম্পর্কে অবগত থাকেন, তাকে ব্যবসা জানতে ও বুঝতে হয়। অর্থ কর্মকর্তা তখনই সফল হবেন যখন তিনি হয়ে ওঠেন একজন দক্ষ ব্যবসায়িক কর্মকর্তা। প্রতিষ্ঠানও তখন সফল হয়। এক অর্থে সিএফও হচ্ছেন প্রতিষ্ঠানের কাস্টোডিয়ানÑকোম্পানির সব অর্জনই বৃথা হয়ে যায় যদি সেটা সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা না যায়।

শেয়ার বিজ: ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরএ) প্রতিষ্ঠানের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?

সারোয়ার হোসেন: ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশে এফআরসি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। বিশ্বব্যাংকের রস্ক (আরওএসসি) প্রজেক্ট থেকে উপলব্ধি করা হয় বাংলাদেশে অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিস সিস্টেমের উন্নতির জন্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) হওয়া উচিত। অনেক আলোচনার পর অবশেষে এফআরএ হয়েছে, এফআরসি গঠন করা হয়েছে। হ্যাঁ, আমাদের দেশে এর প্রয়োজন ছিল। এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে করপোরেট গভর্ন্যান্স ইস্যুতে অনেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে এটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। আইনটির সঠিক বাস্তবায়ন ও কাউন্সিল তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছে কি না তার ওপর এফআরএ’র সফলতা নির্ভর করছে। যদি আইনটির সঠিক বাস্তবায়ন না হয়, লবিস্ট গ্রুপের চাপ মোকাবিলা না করা যায়, তাহলে এফআরসি বা এফআরএ’র মাধ্যমে তেমন সুফল পাওয়া যাবে না।

শেয়ার বিজ: বাংলাদেশের করনীতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

সারোয়ার হোসেন: করের বিষয়টি নিয়ে আরও চিন্তার সুযোগ রয়েছে। একটা সময় মূল্য সংযোজন করের (ভিএটি) চেয়ে আয়কর থেকে বেশি রাজস্ব আসত। কিন্তু বর্তমানে ভিএটি বেশি হলেও আয়কর কম। আমার মনে হয় এর পুনর্মূল্যায়ন দরকার। উন্নত দেশে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত নতুন ধারণা যোগ করা হয়। আমাদের দেশেও অনেক সুযোগ রয়েছে। সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও নতুন ধারণা যোগ করা উচিত। যেমনÑকার্বন ট্যাক্স, লোকাল গ্রুপ অব কোম্পানির মধ্যে ট্রান্সফার প্রাইসিং, লস ব্যাকওয়ার্ড, গ্রুপ কোম্পানির মধ্যে লস অ্যাবসরব, রিলিফ প্রভৃতি। প্রায়ই ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের করা দায় হিসাবের সঙ্গে কর কর্তৃপক্ষের মতভেদ থাকে, দীর্ঘদিন ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না। এজি অডিটের মাধ্যমেও করদাতারা হয়রানির শিকার হয়। কর্তৃপক্ষের উচিত, হার কমিয়ে করের আওতা ও পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আরও সহজ করা। আমাদের দেশে বেশি প্রয়োজন কর কর্তৃপক্ষ অফিসগুলোর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা। এছাড়া কর কর্তৃপক্ষের ইচ্ছামতো ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট তো আছেই। এসব বিষয় ঠিক না হলে সমস্যা কখনও দূর হবে না, যদিও সম্প্রতি অনেক ভালো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার বিজ: বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বিদেশি সিএ ফার্মের সহযোগিতা নেওয়ার প্রবণতা বেশি কেন?

সারোয়ার হোসেন: অনেক সময় প্যারেন্টস কোম্পানির আবশ্যিক শর্তের জন্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অডিট বা অন্য কাজ বিদেশি সিএ ফার্মের অ্যাফিলিয়েটেড লোকাল সিএ ফার্মের মাধ্যমে করা হয়। তাছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে কাজ করছেÑএমন ফার্মের সহযোগিতা নিতে চায় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো। সংগত কারণে বিশ্বের বড় অনেক ফার্ম, যেমন কেপিএমজি, আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ং, ডেলোটি ও পিডব্লিউসির ওপর বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বেশি আস্থাশীল। এছাড়া অডিট ফার্মের অবকাঠামোগত কিছু বিষয়, যেমন একটা বিদেশি সিএ ফার্মের অ্যাফিলিয়েটেড লোকাল সিএ ফার্ম যতটা অবকাঠামোগত দিক দিয়ে শক্তিশালী হয়, নন-অ্যাফিলিয়েটেড দেশি ফার্মে সেটি তুলনামূলকভাবে কম হয়। আবার অনেক সময় দেশি অনেক কোম্পানি বিদেশি অর্থ নিতে চায়, সেক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের গ্রহণযোগ্যতা বা বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য বিদেশি সিএ ফার্মের সহযোগিতা নিয়ে থাকে। নামকরা ফার্মের অডিট রিপোর্ট একটি প্রতিষ্ঠানের ক্রেডিবিলিটি বাড়িয়ে দেয়। তাই কোম্পানিগুলো চায় তাদের দ্বারা অডিট করাতে।

 শেয়ার বিজ: প্রতিষ্ঠানে সিএফওজন্য চ্যালেঞ্জিং বিষয় কী?

সারোয়ার হোসেন: সব কাজে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ পেশাও ব্যতিক্রম নয়। প্রথমে যেটি আসে তা হলো প্রতিষ্ঠানের সব বিভাগ বা দিকের সমন্বয় করা। লিকুইডিটি, ফাইন্যান্সিয়াল সলভেন্সি, ম্যানেজমেন্ট টিমের বন্ডিং, পলিসি বাস্তবায়নের মানসিকতা, করপোরেট কালচার, করপোরেট গভর্ন্যান্স প্রভৃতির ওপর সিএফওর চ্যালেঞ্জ নির্ভর করে। যেমন প্রতিষ্ঠান প্রধান বা উদ্যোক্তা অথবা পরিচালনা পর্ষদ যদি করপোরেট গভর্ন্যান্স ইস্যুতে উদাসীন থাকে সেক্ষেত্রে সিএফওর চ্যালেঞ্জটা বেশি থাকে। আর পরিচালনা পর্ষদ যদি কোড অব এথিকসের সঙ্গে কাজ করতে চায় তাহলে সিএফও’র চ্যালেঞ্জ তুলনামূলক কম হয়।

 শেয়ার বিজ: পেশা হিসেবে সিএফওকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

সারোয়ার হোসেন: পেশা হিসেবে অনেক আকর্ষণীয় ও চ্যালেঞ্জিং। প্রতিষ্ঠানে ফাইন্যান্স কর্মকর্তা গুরত্বপূর্ণ একটি পদ। সামাজিক ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের সুযোগও রয়েছে। তবে সমাজের অধিকাংশ মানুষ এই পেশার পদমর্যাদা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানে না। কারণ এ পেশার মানুষ সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নানা গুরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে ব্যক্তিগত বা সামাজিক জীবনের জন্য তুলনামূলক কম সময় দেন। তবে বর্তমানে এর পরিবর্তন হচ্ছে। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি একটি ট্রান্সবর্ডার প্রফেশন হওয়ায় পেশাজীবীদের বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং তা বেড়েই চলেছে।

 

শেয়ার বিজ: যারা পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের উদ্দেশে আপনার পরামর্শ…

সারোয়ার হোসেন: যারা এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের স্বাগত জানাই। পেশাগত ডিগ্রি থাকলে এগিয়ে যাওয়াটা সহজ হয়। স্বপ্ন থাকতে হবে। নিজেকে কোথায়, কীভাবে দেখতে চান, সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। একসময় ধারণা ছিল সিএ পাস করতে আট বা ১০ বছর লাগে, কিন্তু এখন অনেক মেধাবী এ পেশায় আসছেন এবং অনেকে দুই বা তিন বছরে পাস করে যাচ্ছেন। বর্তমানে এইচএসসির পরেও সিএ পড়ার সুযোগ রয়েছে। দক্ষ অর্থ কর্মকর্তা হওয়ার জন্য ব্যবসা ভালো জানতে হবে। কেবল নাম্বার বা সংখ্যা নিয়ে নয়, ব্যবসার বিষয়াদি নিয়ে কাজ করতে হবে, বুঝতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারে হতে হবে দক্ষ, সময়ের সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। আর কঠোরভাবে কোড অব এথিকস মেনে চলতে হবে।