সূচকের ইতিবাচক গতি কমিয়েছে গ্রামীণফোন

রুবাইয়াত রিক্তা: ঈদের ছুটির পর বাজার ভালো হবে এমন আশা থেকে গতকাল বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনার চেষ্টা করেন। ঈদের আগে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তোলার সুযোগ শেষ হয়ে যাওয়ায় গতকাল বাজারে বিক্রির চাপ তুলনামূলক কম ছিল। অন্যদিকে দর কমে যাওয়ায় কিছু বিনিয়োগকারী তাদের পোর্টফলিও পুনর্বিন্যস্ত করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। মৌলভিত্তির যেসব শেয়ারের দর এখন অবমূল্যায়িত তারা সেসব শেয়ারে বিনিয়োগ করার চেষ্টা করেন। ফলে গতকাল লেনদেনের শুরুর এক পর্যায়ে সূচক ২৭ পয়েন্ট ইতিবাচক হয়েছিল। কিন্তু শেষার্ধে হঠাৎ বিক্রির চাপ এলে সূচক নেমে যেতে থাকে। তবে সে সময়ও সূচকে ওঠার চেষ্টা ছিল। গতকাল গ্রামীণফোনের ১৪ টাকা ৯০ পয়সা দরপতন সূচকের ইতিবাচক গতি কমিয়ে দেয়। গতকাল ডিএসইতে ৪০ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। কমেছে ৪৬ শতাংশের দর। এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) গত রোববার তাদের ঢাকা অফিসে বাজেট-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়নে নতুন নীতি ও কৌশল অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
গতকাল সবচেয়ে বেশি প্রায় ১৭ শতাংশ লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতের ৫০ শতাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল।
ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৬ শতাংশ। এ খাতে ৪৬ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। লিবরা ইনফিউশন সাত শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। ফার্মা এইডের সাড়ে ১৪ কোটি টাকার লেনদেন হয় ও দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। এছাড়া স্কয়ার ফার্মার ২০ কোটি টাকার লেনদেনের পাশাপাশি দরও বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১৫ শতাংশ। এ খাতে ৪২ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। লিবরা ইনফিউশনের দর বেড়েছে সাত শতাংশ। এ খাতের ইউনাইটেড পাওয়ার গতকাল বাজারে নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রায় ৩৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে আট টাকা ৯০ পয়সা। এছাড়া ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ। এ খাতে ৩৪ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের সাড়ে ১২ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এছাড়া বাকি খাতগুলোয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে লেনদেন না হলেও ব্যাংক খাতে ৫০ শতাংশ, আর্থিক খাতে ৫২ শতাংশ, বিমা খাতে ৫৩ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। এছাড়া কাগজ ও প্রকাশনা খাতে শতভাগ কোম্পানির দর বেড়েছে।