সূচক কমলেও ব্যাংক ও আর্থিক খাত ইতিবাচক

রুবাইয়াত রিক্তা: ব্যাংক ও আর্থিক খাত ইতিবাচক হওয়া সত্ত্বেও গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকের পতন হয়। তবে তা খুব সামান্য। সবকটি সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। গতকাল লেনদেন হয় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয় ২৪২ কোটি টাকা। গতকাল অধিকাংশ খাতেই দর সংশোধন হয়। ব্যাংক খাতে কয়েক দিন সংশোধনের পর গতকাল ফের বিনিয়োগকারীরা এ খাতে ঝুঁকেন। তবে আর্থিক খাতেই লেনদেন বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় ২৪ শতাংশ বা ২৩৩ কোটি টাকা। এ খাতের ১৯ কোম্পানির দর বেড়েছে, কমেছে ছয়টির। অপরিবর্তিত ছিল পাঁচটি। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে এ খাতের প্রিমিয়ার ও ইস্টার্ন ব্যাংক। গতকাল প্রিমিয়ার ব্যাংকের সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়। তবে লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় বেশ কয়েকটি ব্যাংক ছিল। আর্থিক খাতে লেনদেন হয় ২০ শতাংশ বা ১৮৮ কোটি টাকা। এ খাতের ১৭ কোম্পানির দর বেড়েছে, পাঁচটির কমেছে এবং একটি অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে ছিল লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। আর্থিক খাতের মোট লেনদেনের ৩৯ শতাংশই ছিল এ প্রতিষ্ঠানের। দরবৃদ্ধির শীর্ষদশে এ খাতের বেশ কয়েকটি কোম্পানি উঠে আসে। এর মধ্যে এফএএস ফাইন্যান্সের দর পাঁচ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্স চার দশমিক ৬৮ শতাংশ, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স চার দশমিক ৬৪ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স চার দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ, বিডি ফাইন্যান্স তিন দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ বা প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এ খাতে ছিল মিশ্র প্রবণতা। ১৯ কোম্পানির দর বেড়েছে, কমেছে ২৪টির। লেনদেন কম হলেও প্রকৌশল খাতেও ছিল মিশ্র প্রবণতা। এ খাতের বিবিএস কেবল্স্ ও ইয়াকিন পলিমার দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে আসে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গ্রামীণফোনের দর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠার পর গত দুদিন ধরে দর সংশোধন হয়।  জিপির দর পাঁচ টাকা ৫০ পয়সা কমায় সূচক কমেছে ১৫ পয়েন্টের বেশি। তবে সিটি ব্যাংক, রেনাটা, ইবিএল, ইউনাইটেড পাওয়ার ও বিবিএস কেবল্স্ সূচক ইতিবাচক করতে ভূমিকা রেখেছে। গতকাল সর্বোচ্চ লেনদেন হয় লংকাবাংলার। এরপর লেনদেনের শীর্ষ পর্যায়ে ছিল এমজেএলবিডি, ফাস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার ব্যাংক, জিপি, সিটি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এনবিএল, স্কয়ার ফার্মা, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। গতকাল জেড ক্যাটাগরির মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের দর আট দশমিক ৩৩ শতাংশ ও মেঘনা পিইটির দর সাত দশমিক ৫৬ শতাংশ বেড়েছে।