সূচক নেতিবাচক করতে মূল ভূমিকায় গ্রামীণফোন

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজার গতকাল তুলনামূলক ইতিবাচক গতিতে থাকা সত্ত্বেও সূচক ছিল নেতিবাচক। শেয়ার কেনার চাপ বেশি থাকায় সাড়ে ৪৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বেড়েছে ১৮২ কোটি টাকা। প্রায় বেশিরভাগ খাতেই ছিল শেয়ার কেনার প্রবণতা। তা সত্ত্বেও সূচক নেতিবাচক হওয়ার পেছনে ভূমিকা ছিল গ্রামীণফোনের। রেকর্ড ডেটের আগে আজ থেকে গ্রামীণফোনের লেনদেন স্পট মার্কেটে অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল কোম্পানিটির সোয়া ১৮ কোটি টাকা লেনদেন হলেও সাড়ে আট টাকা দরপতন হয়। গতকাল সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল বস্ত্র, প্রকৌশল, সিরামিক ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক ছিল বিমা, জ্বালানি, পাট ও সিমেন্ট খাত। এছাড়া চামড়াশিল্প খাতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৪৮ কোটি টাকা।
গতকাল মোট লেনদেনের ১৬ শতাংশ হয় বস্ত্র খাতে। এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ১৩৬ কোটি টাকা। লেনদেন বেড়েছে তিন শতাংশ। এ খাতে ৮৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের জাহিন স্পিনিং, হামিদ ফ্যাব্রিকস, প্রাইম টেক্সটাইল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। এসব শেয়ারের দর পাঁচ থেকে সাত শতাংশ বেড়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ’১৮) শেয়ারপ্রতি ১৮ পয়সা ও ২৫ পয়সা লোকসান সত্ত্বেও জাহিন স্পিনিং এবং হামিদ ফ্যাব্রিকস দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। নূরানী ডায়িংয়ের সাড়ে ১৬ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। প্যারামাউন্ট টেক্সের প্রায় ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৭০ পয়সা। এছাড়া ওষুধ ও রসায়ন, প্রকৌশল, জ্বালানি, বিমা ও চামড়াশিল্প খাতে ১১ শতাংশ করে লেনদেন হয়। ওষুধ খাতে ৪৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস ও ইন্দো-বাংলা ফার্মা দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। প্রকৌশল খাতে ৬৮ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। গতকাল দর বৃদ্ধি ও লেনদেনে নেতৃত্ব দেয় চামড়াশিল্প খাতের ফরচুন শুজ। কোম্পানিটির সাড়ে ৭৬ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে তিন টাকা ৪০ পয়সা। ব্যাংক খাতে মাত্র চার শতাংশ লেনদেন হলেও দর বেড়েছে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির। সিরামিক খাত শতভাগ, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৬৭ শতাংশ, বিবিধ খাতে ৫৮ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে।