স্টাইলক্রাফটের ৪১০% লভ্যাংশ নিয়ে বির্তক

শেখ আবু তালেব: মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে পুঁজিবাজারের বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি স্টাইলক্রাফটের শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে ২৩৫ শতাংশ। লাগামহীনভাবে দর বাড়তে থাকা কোম্পানিটি লভ্যাংশ ঘোষণার পরই বড় ধরনের দরপতন ঘটে। আর এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারী। এদিকে শেয়ারদরের উল্লম্ফনের পেছনে কারসাজি চক্রের সঙ্গে কোম্পানির দুই পরিচালক জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাই ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবিও তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা।
তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত মার্চ মাসের শুরুতে বস্ত্র খাতের ওই কোম্পানিটির শেয়ার হাতবদল হয়েছে এক হাজার ৩৫৮ টাকা ৯০ পয়সায়। গত সাত মাস পেরিয়ে অক্টোবর শেষে শেয়ারটির দর সর্বোচ্চ উঠেছে চার হাজার ৪৯৮ টাকা ৮০ পয়সায়। এ সময়ে শেয়ারটির দর বৃদ্ধি পেয়েছে তিন হাজার ১৯৩ টাকা ৯০ পয়সা বা ২৩৫ শতাংশ।
গত ১০ অক্টোবর কোম্পানিটি চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া হিসাববছরের জন্য ৪১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার কয়েকদিন আগে (৪ অক্টোবর) থেকেই শেয়ারটির দর কমতে শুরু করে। ছয় কার্যদিবস শেষে গত ১০ অক্টোবর শেয়ারদর কমে দাঁড়ায় তিন হাজার ৫৪৭ টাকা ৪০ পয়সায়। এর আগের দিনও শেয়ারটি চার হাজার ৮১ টাকার ওপর লেনদেন হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে দর কমেছে ৫৩৩ টাকা ৬০ পয়সা বা ১৩ শতাংশ।
এ হিসাবে একদিনের ব্যবধানেই একজন বিনিয়োগকারী প্রতি শেয়ারে ৫৩৩ টাকা লোকসান দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন এই পরিমাণ বোনাস শেয়ার দেওয়ার বিষয়ে। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এক বিনিয়োগকারী বলেন, সাড়ে চার হাজার টাকায় শেয়ার কেনার সময়েও বিক্রেতা ছিল। এই হিসাবে ৫০০ শেয়ার ক্রয়ে একজন ক্রেতাকে বিনিয়োগ করতে হয়েছে সাড়ে ২২ লাখ টাকা।
৪১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার পাওয়ার পরে তার শেয়ারপ্রতি বিনিয়োগ দাঁড়ায় এক হাজার ১২৫ টাকা। গতকাল শেয়ারটি লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৩৭০ টাকা ৭০ পয়সায়। বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার পর গতকাল শেয়ারটির ক্রেতা ছিল না। বর্তমানে তার শেয়ারপ্রতি বিনিয়োগ কমে হয়েছে ৮৪২ টাকার উপরে। বর্তমানে শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৮২ টাকা ৫০ পয়সা। গতকাল পর্যন্ত ৫০০ শেয়ারের বিপরীতে লোকসান গুনেছে এক লাখ ৪১ হাজার ২৫০ টাকা। আগের দিনের চেয়ে গতকালও প্রতিটি শেয়ারের দর কমেছে ১৭৭ টাকার বেশি।
ডিএসইর নিয়ম অনুযায়ী, ডিভিডেন্ড ঘোষণার দিন সার্কিট ব্রেকার না থাকায় শেয়ারটির দর একদিনেই কমে প্রায় সাড়ে ৫০০ টাকা। সূত্র জানিয়েছে, স্বল্প মূলধনি এ কোম্পানির শেয়ারদর কারসাজির মাধ্যমে বৃদ্ধি করতে বছরের প্রথম দিকেই পরিকল্পনা করা হয়। কারসাজি চক্রের সঙ্গে জড়িত আছে কোম্পানির দুই পরিচালক। ঘুরেফিরে তাদের নামই সামনে চলে আসছে।
দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শেয়ারটি নিয়ে ইনসাইডার ট্রেডিং হচ্ছে কয়েকটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। এজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার একাধিক উদ্যোগও কাজে আসছে না। ইনসাইডার ট্রেডিং বন্ধ করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি দাবি তুলেছেন বিনিয়োগকারীরা।
কারণ হিসেবে সূত্র জানিয়েছে, মাত্র ৯৯ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনি এ কোম্পানিটি বোনাস ঘোষণার দিনেও ১৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। এ হিসাবে ছয় কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। এছাড়া গত মে মাসে কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক ওমর গোলাম রাব্বানি তার স্ত্রী ও মেয়েকে ৩০ হাজার শেয়ার উপহার হিসেবে দিয়েছেন। এছাড়া অন্য পরিচালক শরিফ আলমাস রহমান তার স্ত্রীকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন ২০ হাজার শেয়ার। এই উপহার হিসেবে গ্রহীতারা সম্প্রতি শেয়ারও বিক্রি করে দিয়েছেন।
যদিও বর্তমানে শেয়ারটি স্পট মার্কেটে লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে অস্বাভাবিক শেয়ারদর বৃদ্ধির বিষয়টি তদন্ত করতে বিএসইসির একটি কমিটিও কাজ করছে। স্বল্প মূলধনি এ কোম্পানির মোট শেয়ার হচ্ছে ৯ লাখ ৯০ হাজার মাত্র। গত জুন মাসে পরিচালকদের হাতে ছিল পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৪টি। সেপ্টেম্বর শেষে তা দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৯৮ হাজার ৮৬১টি। পরিচালকরা শেয়ার ছেড়েছেন ৬০ হাজার ৯৩টি। এ হিসাবে কোম্পানির পরিচালকরা গত তিন মাসে বিভিন্ন সময়ে এক হাজার ৮৬৮ টাকা থেকে শুরু করে চার হাজার ১০৬ টাকা পর্যন্ত দরে এই পরিমাণ শেয়ার ছেড়েছেন।
এ বিষয়ে স্টাইলক্রাফটের কোম্পানি সেক্রেটারি এডমন্ড গুডা শেয়ার বিজকে বলেন, ‘বিএসইসির ২০১৬ সালের দেওয়া নির্দেশনা মানতে গিয়ে ৪১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। এতে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পাবে। আমরাও কোম্পানির পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের বলছি, এত দাম দিয়ে শেয়ার না কেনার জন্য।’
শেয়ারদর অতিমূল্যায়িত হওয়ার সময়ে হুট করেই এ বছর একসঙ্গে পরিশোধিত মূলধন চারগুণ বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
জানা গেছে, বোনাস শেয়ার দেওয়ায় কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন দঁাঁড়াবে পাঁচ কোটি টাকার ঘরে। যার অর্ধেকই যাবে কোম্পানির পরিচালকদের হাতে। এখন চড়া দামে এই শেয়ার বিক্রি করে পরিচালকরা কোম্পানি ছাড়বেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। যার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় গত দুই মাসের শেয়ারের অবস্থান দেখে। গত জুনে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ ছিল পরিচালকদের। তিন মাস পরে গত সেপ্টেম্বর শেষে তা দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এই তিন মাসে শেয়ারধারণ কমেছে পাঁচ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এর আগে অন্যদিকে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে ডিএসইর পক্ষ থেকে পাঠানো এক নোটিসের জবাবে ২৯ মার্চ কোম্পানিটি জানায়, গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানির কাছে মূল্য সংবেদনশীল কোনো প্রকার তথ্য নেই।
কিন্তু একই সময়ে কোম্পানিটি জানায়, গত ২৮ মার্চ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে পোশাক খাতের কমপ্লায়েন্স ইস্যু পরিপালন করতে গঠিত অ্যাকর্ডের দেওয়া পরামর্শমতো শতভাগ কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন করতে পেরেছে কোম্পানিটি। একইসঙ্গে নতুন কিছু মেশিন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে কোম্পানির উৎপাদন বর্তমানের চেয়ে ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এজন্য পাঁচ কোটি ২০ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ নেওয়া হবে পূবালী ব্যাংকের কাছ থেকে।
এ বিষয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী বলেন, প্রতিটি শেয়ারের দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসির)। স্বল্প মূলধনি কোম্পানিকে অনুমোদন না দিয়ে, বড় মূলধনি কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়ার। স্বল্প মূলধনি কোম্পানির শেয়ারে কোম্পানির মালিকপক্ষ জড়িত থাকে। অতীতে তাই দেখা গেছে।

 

 

 

নতুন ০১৩ সিরিজ চালু করল গ্রামীণফোন
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বহুজাতিক মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের পুরোনো নম্বর সিরিজে (০১৭) সাত কোটি গ্রাহক পেরোল। এখন থেকে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের ০১৩ সিরিজের নতুন নম্বর সরবরাহ করবে। অর্থাৎ গ্রাহকদের জন্য ‘০১৭’ সিরিজের পাশাপাশি নতুন নম্বর সিরিজ ‘০১৩’ সিরিজ চালু করল গ্রামীণফোন।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে নতুন নম্বর সিরিজটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মহাপরিচালক (ইঅ্যান্ডও) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ইয়াসির আজমান এবং চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ‘০১৩’ সিরিজের একটি নম্বর দিয়ে প্রথম কলটি টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের কাছে ফোন করেন ইয়াসির আজমান।
টেলিফোনে কথা বলার সময় মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘যে সাহসের সঙ্গে আপনারা সারা দেশে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছেন তার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই, আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে এই বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের জন্য সেবার মান বজায় রাখাও আপনাদের জন্য কঠিন হবে না। অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ০১৩ নম্বর সিরিজ চালু করতে পারায় গ্রামীণফোনকে অভিনন্দন জানান প্রধান অতিথি। তিনি আশা করেন, প্রতিষ্ঠানটি তাদের সুনাম অনুযায়ী উন্নত সেবা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ গ্রামীণফোন যাত্রা করে। যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার অদূরে একটি গ্রামে লাইলী বেগমকে কল করার মাধ্যমে। আর এরপর থেকেই গ্রামীণফোন বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের অগ্রণী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বর্তমানে ৭১ মিলিয়ন গ্রাহকের সেবা প্রদান করার মাধ্যমে এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ২০টি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
গত ২১ বছরে দেশের ৯৯ শতাংশ জনগণকে উচ্চগতিসম্পন্ন মোবাইল ইন্টারনেট সেবা প্রদান করার মাধ্যমে সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামীণফোন সবসময় তার গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেয় এবং নিরবচ্ছিন্ন উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এজন্য ২০১৮ সালে ওকলা দেশের দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক হিসেবে ঘোষণা দেয় গ্রামীণফোনকে।
এই দীর্ঘ যাত্রায় গ্রামীণফোন গ্রাহকদের কাছ থেকে অকুণ্ঠ ভালোবাসা পেয়েছে, যার ফলে ০১৭ নম্বরের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয় এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ০১৭ সিরিজের নম্বর শেষ হয়ে যেতে থাকে। গ্রামীণফোনের উন্নত নেটওয়ার্ক ও সেবা যেসব গ্রাহক উপভোগ করতে চেয়েছেন, তাদের চাহিদা মেটাতে ০১৭ সিরিজের নতুন নম্বরের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি তাদের পুরোনো নম্বরগুলোকে পুনঃব্যবহার করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির অনুরোধ সাপেক্ষে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন ০১৩ সিরিজের দুই কোটি নম্বর বরাদ্দ করে।
অনুষ্ঠানে ০১৩ নম্বর সিরিজ বরাদ্দ দেওয়ায় রেগুলেটরকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইয়াসির আজমান বলেন, ‘সর্বোন্নত নেটওয়ার্ক, অভিনব সেবা এবং প্রতিযোগিতামূলক ট্যারিফের কারণে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের সবচেয়ে কাক্সিক্ষত অপারেটর। বিগত ২১ বছর গ্রামীণফোন ০১৭ সিরিজ নিয়ে সারা দেশে মোবাইল ফোনের ব্যবহার ছড়িয়ে দিয়েছে এবং বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশনের নতুন যুগ নিয়ে এসেছে। ০১৩ নম্বর সিরিজের ক্ষেত্রও আমাদের লক্ষ্য একই থাকবে। আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখায় গ্রামীণফোনের ৭১ মিলিয়ন গ্রাহককে ধন্যবাদ জানাই এবং যারা আমাদের উচ্চমানের নেটওয়ার্ক ও উদ্ভাবনী সেবা উপভোগ করতে ০১৩ সিরিজের সংযোগ নেবেন তাদের স্বাগতম। সারা দেশকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় এনে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রকৃত সুবিধা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা অন্য সবার আগেই সেটা করব।’
০১৭-এর গ্রাহকরা যে নেটওয়ার্ক ও সেবা ব্যবহার করে আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখছেন, সেই একই সেবা উপভোগ করতে পারবেন ০১৩ সংযোগের গ্রাহকরা। আর ০১৩ নম্বরের নতুন সিমকার্ড পাওয়া যাবে সব সিম বিক্রয় কেন্দ্রে, একই মূল্যে।