স্যালভো কেমিক্যালের গ্লুকোজ উৎপাদন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্যালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের লিকুইড গ্লুকোজ ইউনিটের উৎপাদন সফলভাবে শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই ইউনিটে উৎপাদন শুরু হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ বর্ধিত প্রকল্প জিংক সালফেট প্লান্ট পুনর্গঠনের করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকল্পটি ব্যয়বহুল ও কোম্পানি ট্রায়াল প্রডাকশনে সফল না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত যায় পর্ষদ। এতে বিদ্যমান জিংক সালফেট প্রকল্পটি শিফট করে নতুন যন্ত্রপাতি সংযোগ ও স্থাপন করা হয়। এই কাজ সম্পন্ন করতে দুই থেকে তিন মাস লেগেছে কোম্পানিটির। প্রকল্পটির প্রতিদিন ২৮ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা হয়েছে। আর এই লিকুইড গ্লুকোজ খাদ্য ও ওষুধ ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহƒত হয়।
শেয়ারদর সর্বশেষ কার্যদিবসে এক দশমিক ৫০ শতাংশ বা ৪০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৭ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৭ টাকা ১০ পয়সা। দিনজুড়ে পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭৭টি শেয়ার মোট ২৩২ বার হাতবদল হয়, যা বাজারদর এক কোটি ৪৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৬ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৭ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১৮ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৩০ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ২৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৩ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ইপিএস এক পয়সা বেড়েছে। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১২ টাকা ১৪ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ১১ টাকা ৯১ পয়সা।
দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৮ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস আট পয়সা কমেছে। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৩৯ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পযন্ত ছিল ১১ টাকা ৯১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৬৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে এক কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৯ পয়সা এবং এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৯১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে চার কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
‘বি’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত ১৮ মাসের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় ইপিএস ছিল এক টাকা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬৭ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা পাঁচ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬১ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ আট কোটি ৩১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ছয় কোটি ১৯ লাখ ২৬ হাজার ৪৭১টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ২২ দশমিক ১৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৩৪ দশমিক তিন এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৩৩ দশমিক ৮৮।