সারা বাংলা

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা

সংবাদদাতা, হিলি (দিনাজপুর): দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি বাজারে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। দু’দিনের ব্যবধানে প্রকারভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে দুই থেকে তিন টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি বেশি হওয়ায় পেঁয়াজের বাজার এখন নিন্মমুখী। অন্যদিকে প্রতি কেজি ছোলায় বেড়েছে পাঁচ টাকা, চিনিতে চার টাকা ও প্রকারভেদে রসুনে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। এসব পণ্যের দাম বাড়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তবে তাদের দাবি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে কমে আসবে এসব পণ্যের দাম।
বাজারে পণ্য কিনতে আসা ক্রেতা গোলাম রসুল জানান, দুদিন আগে হিলি বাজারে প্রতি কেজি ছোলা ৭০ টাকা দরে বিক্রি হলেও কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে গতকাল মঙ্গলবার তা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা। একই ভাবে যে রসুন বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা কেজি দরে তা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এর সঙ্গে বেড়েছে চিনির দাম। দুইদিন আগে ৪৮ টাকা কেজি বিক্রি হলেও তা চার টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়।
তবে স্বাভাবিক রয়েছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম।
হিলি বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানান, দুদিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৪ থেকে ১৫ টাকা বিক্রি হলেও গতকাল প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০ থেকে ১১ টাকা দরে।
হিলি স্থলবন্দর আমাদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন জানান, এক মাস আগেও ১৫০ থেকে ১৭৫ ডলারে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। বর্তমানে ডলারমূল্য কমেনি। কিন্তু আমদানি বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে আট টাকা থেকে ৯ টাকা কেজি দরে। এতে আমদানিকারকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
পানামা হিলি পোর্ট লিমিটেডের গণসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, গত ছয় দিনে এ বন্দর দিয়ে ভারতীয় ১৮৮ ট্রাকে চার হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

সর্বশেষ..