হ্যারি পটার উৎসব উদ্যাপনে ব্রিটিশ কাউন্সিল

শেয়ার বিজ ডেস্ক: দেশের হ্যারি পটার ভক্তদের জন্য ১৫ থেকে ২৮ অক্টোবর হ্যারি পটার উৎসবের আয়োজন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। প্রকাশনা সংস্থা বøুমসবারির ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোন’ প্রকাশের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে এ উৎসব আয়োজন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

কিশোর কল্পকাহিনিভিত্তিক উপন্যাসের সিরিজ হ্যারি পটারের রচয়িতা জনপ্রিয় ব্রিটিশ লেখক জে কে রাউলিং। হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্রাফট অ্যান্ড উইজারড্রির শিক্ষার্থী কিশোর জাদুকর হ্যারি পটার ও তার দুই বন্ধু হারমাইনি গ্রেঞ্জার এবং রন উইজলিকে ঘিরেই হ্যারি পটার সিরিজের গল্পগুলো আবর্তিত।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘লাইব্রেরিজ আনলিমিটেড’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে হ্যারি পটার উৎসবটি তিনটি পর্যায়ে যথাক্রমে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর গণগ্রন্থাগারে হয়েছে। বর্তমানে ‘লাইব্রেরিজ আনলিমিটেড’ প্রকল্পটি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অংশীদারত্বে ও গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের সহযোগিতায় দেশজুড়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ উৎসবের প্রথম পর্যায়টি গত ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই হাজার হ্যারি পটার ভক্তদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, গুপ্তধন খোঁজা, কুইজ ও গেমসসহ নানা ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে এ উৎসব উদ্যাপন করে।

জুয়েল আইচের একটি জাদু প্রদর্শনীর পাশাপাশি সম্পূর্ণ জাদুর ভুবনের সঙ্গে হ্যারি পটার ভক্তদের সংযোগ করতে ‘উইজার্ডস ক্লাসরুম’ নামক একটি জাদুর কর্মশালারও ব্যবস্থা করা হয়েছে এ উৎসবে। উৎসবের দ্বিতীয় পর্যায়টি রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হবে ২১ অক্টোবর ও ২৮ অক্টোবর তৃতীয় পর্যায় অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনাতে। ঢাকার মতো দেশের অন্যান্য স্থানেও এ উৎসব উদ্যাপনে শিশু-কিশোর, তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নানা ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠানটি।

বিভিন্ন সম্প্র্রদায়ের মধ্যে গণগ্রন্থাগার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রন্থাগার ও তথ্যসেবা সম্পর্কে গণসচেতনতা তৈরি করাই হচ্ছে এ সহযোগিতাপূর্ণ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। ইংরেজ পটভ‚মিতে গড়ে ওঠা হ্যারি পটারের কল্পকাহিনি বাংলা ভাষাসহ প্রায় ৮০টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্য, ইংরেজি সাহিত্যপ্রেমী এবং চলচ্চিত্রপ্রেমীরা সমৃদ্ধ হয়েছে। হ্যারি পটারে রয়েছে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, বুদ্ধিমত্তা, হাস্যরস ও কৌতুকবোধের প্রতিফলন, যার আবেদন সমভাবে রয়েছে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্কদের পর্যন্ত।

এ ধরনের আয়োজনের পাশাপাশি চার বছর থেকে ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের ইংরেজি শিক্ষার সুযোগ করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। স্বাভাবিকভাবে ইংরেজি ভাষা ও উচ্চারণ শিখতে শিশু-কিশোরদের সহায়তায় কোর্সগুলো শুরু হয় ২০ অক্টোবর।