হ া ও য় া ব দ ল: সিরাজগঞ্জ

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জ। বৈচিত্র্যময় জনপদ এটি। হাওয়াবদলের এক চমৎকার স্থান।

 

যা দেখবেন

বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু, হার্ডপয়েন্ট, রানীগ্রাম গ্রোয়েন, কাঁটাখাল, ইলিয়ট ব্রিজ, ঘাটিনা ব্রিজ, হজরত মখদুম শাহদৌলা (রহ.)-এর মাজার ও মসজিদ, কবি রজনীকান্ত সেনের বসতভিটা, জয়সাগর দিঘি, ইকোপার্ক, যাদব চক্রবর্তীর বাড়ি, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর বাড়ি, ভোলা দেওয়ানের বাজার, ধুবিল কাটার মহল জমিদারবাড়ি, আটঘরিয়া জমিদারবাড়ি, মোজাফফপুর জমিদারবাড়ি, রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি প্রভৃতি।

জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা, বড়াল, ইছামতী, করোতোয়া, হুরাসাগর, গোহালা, বাঙ্গালী, গুমনী, ফুলঝুড়ি প্রভৃতি নদ-নদী।

 

যেভাবে যাবেন

রাজধানী থেকে এসআই, স্টারলিট ক্ল্যাসিক, অভি প্রভৃতি পরিবহনের বাস ছেড়ে যায় সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে।

আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য রেলপথ বেছে নিতে পারেন। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ধূমকেতু, সুন্দরবন, সিল্ক সিটি, চিত্রা, পদ্মা, একতা, লালমনি প্রভৃতি ট্রেনে চড়ে যাওয়া যায় সিরাজগঞ্জ।

 

যেখানে থাকবেন

সরকারি পর্যায়ে থাকার জন্য জয়সাগর রেস্ট হাউজ, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, উপজেলা পরিষদ ডাকবাংলো ও উল্লাপাড়া ডাকবাংলো রয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে রয়েছে আরচেস আবাসিক হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ, কুয়াশা হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ, উল্লাপাড়া আলছাত্তার হোটেল যমুনা, আরমানী রেস্তোরাঁ কমপ্লেক্স প্রভৃতি।

 

যা খাবেন

সিরাজগঞ্জের পানিতোয়া মিষ্টি ভীষণ মজার। খেতে সুস্বাদু। আরও আছে বিখ্যাত ধানসিঁড়ির দই। একই সঙ্গে দেশে প্রচলিত সব ধরনের খাবার তো আছেই। ভ্রমণশেষে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের জন্য নিয়ে আসতে পারেন পানিতোয়া ও ধানসিঁড়ির দই।