১৬.৯৭ শতাংশ কমেছে রূপালী ব্যাংকের দর

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দরপতনের শীর্ষে উঠে আসে রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। গেল সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রূপালী ব্যাংকের গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৯১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পুরো সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট চার কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সপ্তাহের শেষদিনে রূপালী ব্যাংকের শেয়ারদর ৪০ পয়সা বা এক দশমিক শূন্য আট শতাংশ কমে সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩৬ টাকা ৭০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ৭০ পয়সা। ওইদিন ব্যাংকটির এক লাখ আট হাজার ২৭৪টি শেয়ার ২১৮ বার হাতবদল হয়। যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪০ লাখ টাকা। চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয় ২৭ পয়সা। ২০১৬ সালে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়। তার আগের তিন বছর ১৫ শতাংশ করে বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
৭০০ কোটি টাকা অনুমোদিত ও ৩০৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৩টি। কোম্পানির রিজার্ভে আছে ৫৯৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ সরকারের হাতে। দুই দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক ও ছয় দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
দরপতনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এশিয়া প্যাসেফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের দর কমেছে ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটির প্রায় সোয়া এক লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পুরো সপ্তাহজুড়ে ছয় লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিটি শেয়ারের দর কমেছে ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটির প্রায় ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পুরো সপ্তাহজুড়ে মোট তিন কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এছাড়া দরপতনে থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের দর কমেছে ১০ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটির প্রায় তিন কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয় প্রায় ১৫ কোটি টাকার। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দর কমেছে আট দশমিক ৯৩ শতাংশ। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটির দুই লাখ ২৮ হাজার টাকার এবং সপ্তাহজুড়ে সাড়ে ১১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দর কমেছে ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির আড়াই লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দর কমেছে আট দশমিক ৮২ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির চার লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলসের দর সাত দশমিক ৮০ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৫৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের দর সাত দশমিক ৫০ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির পাঁচ লাখ ২৭ হাজার টাকার এবং অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেডের দর সাত দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪৪ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।