স্পোর্টস

১৯ জুলাই মঞ্চস্থ হচ্ছে শ্রাবণ ট্র্যাজেডির ১৩তম প্রদর্শনী

শোবিজ ডেস্ক: মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের আলোচিত নাটক ‘শ্রাবণ ট্র্যাজেডি’। এটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রযোজনা। নাটকটি মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মূল হলে অনুষ্ঠিত হবে নাটকটির ১৩তম প্রদর্শনী। আনন জামান রচিত এ নাটকের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় রয়েছেন আশিক রহমান লিয়ন। নাটকটির নির্দেশক আশিক রহমান লিয়ন বলেন, নাট্যকার আনন জামান রচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নারকীয় হত্যাকাণ্ড এবং ওই সময়ের রাজনীতি ও ষড়যন্ত্রের একটি ইতিহাসের অংশ ‘শ্রাবণ ট্র্যাজেডি’। নির্দেশক হিসেবে নাটকে ওই সময়ের ইতিহাসের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের আরেক কর্মকর্তা মীর জাহিদ হাসান বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর তার হত্যার বিচার পেলাম। এ বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য একটি মহল অনেক চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছু উপেক্ষা করে বিচারকাজ শেষ হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিচারে অনেকের নাম আসেনি, যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল। কিন্তু কোনো না কোনোভাবে কেউ বাদ পড়েছে। তাদের অনেকে মারাও গেছে। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও সত্যতা যাচাইয়ের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড মঞ্চে উপস্থাপনার চেষ্টা করছি। বর্তমান প্রজন্মকে জানাতে চাই, বিচারের বাইরেও কিছু লোক রয়েছে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। এখানে বাদ পড়া লোকদের মুখোশ উম্মোচন করার চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও বলেন, একটি ভূখণ্ডে জাতির জনক হয়ে ওঠার যে দীর্ঘ জার্নি অর্থাৎ ভাষা সংগ্রাম থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ, তিনি মানুষের নেতা কীভাবে হয়ে উঠলেন, কীভাবে জাতির জনক হয়ে উঠলেন তাও নাটকে তুলে আনার চেষ্টা করেছি। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কবির আহামেদ, ফারুক আহমেদ সেন্টু, মো. শাহনেওয়াজ, মনিরুল আলম কাজল, পলি বিশ্বাস, সামিউল জীবন, রাজীব হোসেন, শিবলী সরকার, শাহরিয়ার হোসেন পলিন, তারেকেশ্বর তারোক, আহাদুজ্জামান কলিন্স, সুমাইয়া তাইয়ুম নিশা, আরাফাত আশরাফ, আজহার, পিয়াসী জাহান, কাজী তারিফ, তাজুল রনি, রেদোয়ান, সিয়াম রাব্বি, জুনায়েদ, নূর আকতার মায়া, রাফি, রিফাত হোসেন জুয়েল, আমিনুল আশরাফ, ইকবাল চৌধুরী, মীর নাহিদ আহসান ও মীর জাহিদ হাসান প্রমুখ। এছাড়া নাটকটির নেপথ্য শিল্পীরা হলেন মঞ্চ, আলো, পোশাক ও আবহসংগীত পরিকল্পনায় আশিক রহমান লিয়ন। কোরিওগ্রাফিতে আমিনুল আশরাফ। অ্যানিমেশন সৈকত নাসির। আবহ সংগীত সম্পাদনায় কাজী মোহাইমিনুল হক। পোস্টার ডিজাইন দেবেন্দু উদাস, রূপসজ্জা শিল্পী শুভাশীষ দত্ত তন্ময়। টিকিট ব্যবস্থাপনায় সৈয়দ লুৎফর রহমান। প্রচার ব্যবস্থাপনায় সৈকত নাসির ও কাজী সাইফ আহমেদ। প্রকাশনা ব্যবস্থাপনায় কানাই চক্রবর্তী ও বুলবুল আহমেদ। সেট ও প্রপস ব্যবস্থাপক রাজীব হোসেন। প্রযোজনায় ইকবাল চৌধুরী। মঞ্চ অধিকর্তা কবির আহামেদ। প্রযোজনা সমন্বয়ক মো. শাহনেওয়াজ, প্রযোজনা অধিকর্তা মীর জাহিদ হাসান ও সামগ্রিক তত্ত্বাবধানে আফজাল হোসেন।

সর্বশেষ..