কোম্পানি সংবাদ

২০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেট বন্ড ইস্যু করবে পূবালী ব্যাংক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ২৫০ কোটি টাকার পরিবর্তে ২০০ কোটি টাকার অসুরক্ষিত সাবঅর্ডিনেটেড পরিশোধযোগ্য নন-কনভারটেবল বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৭ সালের ৭ মে তারিখে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২৫০ কোটি টাকার অসুরক্ষিত এবং পরিশোধযোগ্য সাবঅর্ডিনেটেড নন-করভারটেবল বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু অনিবার্য কারনে ২৫০ কোটি টাকার পরিবর্তে ২০০ কোটি টাকার অসুরক্ষিত এবং পরিশোধযোগ্য সাবঅর্ডিনেটেড নন-করভারটেবল বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সাত বছরের জন্য বন্ডটি ইস্যু করা হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং অন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদনক্রমে অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২০ জুন বেলা ১১টায় স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে (হাউজ-১৯, রোড-৭, গুলশান-১, ঢাকা) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ওই সময় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৫৬ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ১৪ টাকা।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর এক দশমিক ৬৯ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১১ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে দুই লাখ ৮৪ হাজার ৭৪১টি শেয়ার মোট ১৭৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৩৩ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর ১১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৭ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
এর আগে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়। যা তার আগের বছরে ছিল ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৬১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৪৪ পয়সা ও ১৭ টাকা ৮০ পয়সা। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ১৫ কোটি ৪৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল ২০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
কোম্পানিটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৬৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট ১৬ কোটি ৪৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪১টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪২ দশমিক ৮২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২১ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে বাকি ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১১ দশমিক ৬২ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৫৭ দশমিক ৫০।

সর্বশেষ..