কোম্পানি সংবাদ

৩০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করবে সিটি ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতের কোম্পানি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ৩০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রানুসারে কোম্পানিটি চলমান অর্থের প্রয়োজন মেটাতে এ বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন পেলেই বন্ডের মাধ্যমে টাকা তুলবে ব্যাংকটি।
এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সিটি ব্যাংকের শেয়ারদর ৬০ পয়সা বা দুই দশমিক ৪৮ শতাংশ বেড়েছে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৪ টাকা ৮০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর হয় ২৪ টাকা ৭০ পয়সা। গতকাল শেয়ারটির দর ২৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ২০ পয়সায় উঠানামা করে। এদিন কোম্পানিটির ১৬ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৮টি শেয়ার ৩৯৬ বার হাতবদল হয়। যার মোট মূল্য চার কোটি দুই লাখ ৪৭ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৩৬ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বনিন্ম দর ২২ টাকা ৫০ পয়সা।
সর্বশেষ প্রকাশিত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, কোম্পানিটির জানুয়ারি-মার্চ, ২০১৯ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৭৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৮ পয়সা। ৩১ মার্চ, ২০১৯ পর্যন্ত শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ২০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য ছিল ২৫ টাকা ৭৪ পয়সা।
সর্বশেষে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সালের জন্য কোম্পানিটি ছয় শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে ঘোষণা করে। ওই বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে দুই টাকা ৩০ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭৪ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল তিন টাকা ৫৭ পয়সা ও ২৮ টাকা ৪০ পয়সা। লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ২৬ জুন অনুষ্ঠিত হবে। সময় ও স্থান পরে জানানো হবে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, কোম্পানির মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) সাত দশমিক ৮২। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ছয় দশমিক ৩৩।
কোম্পানিটি ২০১৭ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১৯ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দিয়েছে। ওই বছর কোম্পানির ইপিএস ছিল তিন টাকা ৯০ পয়সা, শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৮ টাকা ৪০ পয়সায়। মুনাফা হয়েছে ৩৪৫ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ২০১৬ সালে কোম্পানিটি ২৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। ওই বছর ইপিএস ছিল চার টাকা ৬৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয় ২৭ টাকা ৯৮ পয়সা। ওই বছর মুনাফা হয়েছে ৪০৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে আসা এ ক্যাটেগরির কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৯৬৭ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৬ কোটি ৭৯ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৭টি।

সর্বশেষ..