৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ট্যানারি বর্জ্য শোধনাগার চালু না হলে বিকল্প ভাবনা: বিসিক চেয়ারম্যান

শেয়ার বিজ প্রতিনিধি, সাভার: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োজিত চায়না ঠিকাদার সাভারের ট্যানারি শিল্পের চারটি বর্জ্য শোধনাগারসহ অন্যান্য টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হলে বিকল্প পথে যাবে শিল্প মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহ. ইফতিখার।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতিসংঘের উন্নয়ন শিল্প সংস্থার (ইউনিডো) মহাপরিচালক লি ইয়ংসহ বিসিকের চেয়ারম্যান সাভারে ট্যানারি নগরীতে পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন। এ সময় লি ইয়ং সাভার ট্যানারিতে এপেক্স ট্যানারি কারখানা পরিদর্শন করেন ও চামড়া প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম ঘুরে ঘুরে দেখেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে চায়না ঠিকাদার আদালতে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সাভারের ট্যানারি শিল্পের চারটি বর্জ্য শোধনাগার চালুর কথা লিখিতভাবে জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে বিসিক থেকে তাদের জরিমানা করা হয়েছে। তাদের যে টাকা পরিশোধের বাকি আছে তা থেকে জরিমানার টাকা কেটে রাখা হবে। এদিকে প্রয়োজনে জাতিসংঘের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট পাঠিয়ে সাভারের ট্যানারি শোধনাগারের সমস্যা বের করা হবে। পরে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লি ইয়ংয়ের বরাত দিয়ে বিসিক চেয়ারম্যান আরও জানান, লি ইয়ং ইতোমধ্যে আলোচনায় বলেছেন, ট্যানারি ঠিকাদারকে কাজ শেষ করতে বাধ্য করতে হবে। প্রয়োজনে নিয়ম অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি এবং পাশাপাশি ইউনিডো সাভার ট্যানারি নগরী পুরিপূর্ণভাবে চালু করতে সহায়তা প্রদান করার আশ্বাস দেন।

পরে লি ইয়ং সাভারে ডিইপিজেডের প্যাক্সার বিডি লিমিটেড নামে একটি কারখানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ইপিজেডের উৎপাদন প্রক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক মানের পণ্য ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে বেপজার প্রশংসা করেন।

এ সময় বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মুহম্মদ হাবিবুর রহমান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।