Print Date & Time : 11 May 2021 Tuesday 2:23 pm

অগ্নিকাণ্ডে মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি

প্রকাশ: March 1, 2021 সময়- 01:08 am

নিজস্ব প্রতিবেদক: অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২৬ ফেব্রয়ারি রাত ৮টা ৫ মিনিটে কোম্পানিটির রিং ইউনিটের নতুন স্পিনিং ওয়্যারহাউসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কোম্পানির অগ্নি সুরক্ষা দল সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। একইসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের চারটি টিমও সেখানে হাজির হয় এবং ছয় থেকে সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই অগ্নিকাণ্ডে কাঁচা তুলা, সুতা এবং ওয়্যারহাউসের শেড পুড়ে যায়। এতে আনুমানিক ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কাঁচা তুলা, সুতা ও ওয়্যারহাউস বিমার অধীন থাকায় বিমা কোম্পানি সার্ভেয়ার নিয়োগ দেবে।

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি এক শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ১৯ পয়সা লোকসান এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা এক পয়সা। এটি আগের বছর ছিল যথাক্রমে ৯৫ পয়সা লোকসান ও ১৫ টাকা ২০ পয়সা।

বস্ত্র খাতের ‘বি’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ৯৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৩৭৪টি শেয়ার রয়েছে।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ বা ৫০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১৩ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ১৩ টাকা ৭০ পয়সা। ওই দিন কোম্পানিটির ২ লাখ ৬১ হাজার ৬২৪টি শেয়ার মোট ১২৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৩৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৪ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ছয় টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।

এর আগে ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি দুই শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৩ পয়সা লোকসান এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৬১ পয়সা।

কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৩৭৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৩৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৩১ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।