Print Date & Time : 23 June 2021 Wednesday 6:47 pm

অতিরিক্ত মুনাফা করলে আইনের আওতায় আনা হবে: সচিব

প্রকাশ: April 18, 2021 সময়- 12:11 am

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেছেন, ব্যবসায়ী নেতারা আমাদের সঙ্গে আছেন, তাদের মোটিভেট করা হয়েছে যেন রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম স্বাভাবিক রাখা হয়।

তিনি বলেন, কেউ অতিরিক্ত মুনাফা করলে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হবে।

গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগর বাজার মনিটর শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এরপর তিনি নিউমার্কেট কাঁচা বাজার, মোহম্মদপুর টাউনহল ও টিসিবির ট্রাক সেল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘এবার আমাদের নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। আমরা মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। লকডাউনের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের কাজ করতে হবে। আজ মূলত বের হয়েছি টিসিবি, ভোক্তা অধিকার, জেলা প্রশাসনসহ যারা কাজ করছে তাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য। আমরা কেউ বসে নেই, সবাই একসঙ্গে কাজ করব। টিসিবি ভালোভাবে চলছে, ভোক্তা অধিকারের টিম মাঠে আছে। প্রশাসনের অন্যরাও মাঠে আছেন।’

তিনি বলেন, ‘মূলত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পান। আমরা এ বিষয়টাকে মাথায় রেখে রমজান উপলক্ষে তিন-চার মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছি। বিশেষ করে টিসিবির মাধ্যমে অন্য বছরের তুলনায় প্রায় ১২ গুণ বেশি প্রস্তুতি রেখেছি। প্রতিটি পণ্য আমাদের ১২ গুণ বেশি মজুদ রয়েছে। সাধারণ যে মার্কেটটা টিসিবির বাইরে সেখানেও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রেখেছি, এলসি পরীক্ষা করেছি। ইমপোর্ট যেন বেশি থাকে ও স্বাভাবিক সাপ্লাই থাকে, সেক্ষেত্রেও আমরা সাকসেসফুল।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে ঢাকায় যে সংখ্যক টিসিবির ট্রাক চলত তার চেয়ে এখন বেশি টিসিবির ট্রাক রয়েছে। এখন প্রায় ১৩০টি ট্রাক ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে, আর সারাদেশে ৫০০-এর বেশি টিসিবির ট্রাক নিত্যপণ্য বিক্রি করছে। প্রয়োজনে আমরা আরও ট্রাক বাড়াব। আমাদের ডিলার ও ট্রাক দুটোই রেডি আছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গত জুলাইয়ে তেলের টনের দাম ছিল ৭০০ ডলার, সেটা এখন হয়েছে ১৩০০ ডলার। প্রায় দ্বিগুণ দাম বেড়েছে। সে তুলনায় আমরা অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম কন্ট্রোল করেছি। টিসিবির কাছে তেলের মজুদও কিন্তু অন্য বছরের তুলনায় ১২ গুণ বেশি। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা তেলের দামের বিষয়টিতে খেয়াল রাখছি। আমাদের টিমকে বলেছি, মার্কেট ইন্টেলিজেন্স স্টাডি করার জন্য। এর সুফল শিগগির পাবেন। তেলের আমদানি শুল্ক কমানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তেলের ওপর শুল্ক চলতি মাসে কমানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এর প্রভাব মূলত ইনপুট করার পরের মাসে পাওয়া যায়। তারপরও এর প্রভাব তো বাজারে পড়বে। ব্যবসায়ীরা ভাবছেন, তেল ইম্পোর্টে দাম কমে গেছে, কাজেই প্রভাব ধীরে ধীরে পড়ছে। আগামী মাসে হয়তো বেশি পড়বে।