দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

অধিকাংশ খাতে লালবাতি জ্বলেছে

৭৬% কোম্পানির দরপতন

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল ফের বড় পতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭৬ শতাংশ কোম্পানি দর হারানোয় ডিএসইএক্স সূচকের ৬৪ পয়েন্ট পতন হয়। সে সঙ্গে লেনদেনও কমেছে। এ নিয়ে টানা চার কার্যদিবেসে ডিএসইএক্স সূচক কমল ১১৮ পয়েন্ট। গতকাল মাত্র ১২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এদিন অনেকগুলো খাতে একেবারে লালবাতি জ্বলেছে। অর্থাৎ প্রায় ৯টি খাতে কোনো কোম্পানির দর বাড়েনি। বাকি খাতগুলোতে হাতে গোনা দু-একটি করে কোম্পানির দর বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানির সব কয়টির দরপতন হয়। এছাড়া ব্যাংক ও টেলিযোগাযোগ খাতের দরপতন সূচকের বড় পতন ডেকে আনে। এদিকে গতকাল ডিএসইতে নতুন এমডি যোগদান করেছেন। তাই গতকালের দরপতন আগামী দিনে পুঁজিবাজারের অবস্থান সম্পর্কে পূর্বাভাস দিচ্ছে কি না সে নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

গতকালও ডিএসইর লেনদেন তিন খাতে সীমাবদ্ধ ছিল। প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন এবং বস্ত্র খাতে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৬ শতাংশ। এ খাতে মাত্র চারটি কোম্পানির দর বেড়েছে। এর মধ্যে আজিজ পাইপসের দর ৫০ পয়সা, বিডি ল্যাম্পসের দর ৩০ পয়সা, ওইম্যাক্সের দর এক টাকা ও সুহƒদ ইন্ডাস্ট্রিজের দর ৩০ পয়সা বেড়েছে। সিঙ্গার বিডির আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ছয় টাকা। কপারটেকের ছয় কোটি ৮০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৭০ পয়সা। এসএস স্টিলের পাঁচ কোটি ৮২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৬০ পয়সা। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৫ শতাংশ। এ খাতে সবচেয়ে বেশি ৯ কোম্পানির দর বেড়েছে। এর মধ্যে ছয়টি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। ৯ শতাংশ বেড়ে তোসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। মতিন স্পিনিংয়ের দর ছয় দশমিক ৭৬ শতাংশ, প্রাইম টেক্সের দর চার দশমিক ৫৬ শতাংশ, ওইম্যাক্সের দর তিন দশমিক ২১ শতাংশ, ড্রাগন সোয়েটারের দর দুই দশমিক ৬৭ শতাংশ, হা ওয়েল টেক্সটাইলের দর দুই দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়েছে। ওষুধ খাতে লেনদেন হয় ১৫ শতাংশ। এ খাতে পাঁচ কোম্পানির দর বেড়েছে। দুই দশমিক শূন্য আট শতাংশ বেড়ে বিকন ফার্মা দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৯টি প্রতিষ্ঠান, বিমা খাতে ছয় কোম্পানি,  ব্যাংক ও জ্বালানি খাতে তিনটি করে কোম্পানি, বিবিধ খাতে দুটি, তথ্য ও প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতে একটি করে কোম্পানির দর বেড়েছে। অন্যদিকে সিমেন্ট, সিরামিক, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, টেলিযোগাযোগ, পাট, চামড়া শিল্প, সেবা ও আবাসন, ভ্রমণ এবং অবকাশ খাত শতভাগ নেতিবাচক ছিল।  

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..