মত-বিশ্লেষণ

অনলাইনে শিশুদের নিরাপদ রাখতে করণীয়

শিশুর সঙ্গে সময়: শিশুসন্তানের জন্য তার বন্ধু, পরিবার এবং পিতামাতার সঙ্গে অনলাইনে নিরাপদ ও ইতিবাচক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে হবে। অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় এই সময়ে অন্যদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ‘ভার্চুয়াল মিথস্ক্রিয়ায়’ মহানুভবতা ও সহানুভূতির মডেল হওয়ার জন্য অভিভাবকের জন্য একটি দারুণ সুযোগ হতে পারে।

শিশুকে ভুল তথ্য এবং বয়স-অনুপযুক্ত সামগ্রী শনাক্ত করতে ও এড়াতে সহায়তা করুন, যা কভিড-১৯ সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো বিশ্বাসযোগ্য সংস্থাগুলোর কাছে অনেক ডিজিটাল উপকরণ রয়েছে, যার মাধ্যমে অভিভাবক ও শিশু একত্রে এ রোগের সংক্রমণ রোধ সম্পর্কে জানতে পারেন।

বয়স উপযোগী অ্যাপস, গেমস এবং অন্য অনলাইন বিনোদনসামগ্রী শনাক্ত করতে আপনার শিশুর সঙ্গে সময় ব্যয় করুন।

শালীন অনলাইন অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহ: অনলাইনে এবং ভিডিও কলগুলোতে ভালো আচরণ প্রচার এবং পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সহপাঠীদের প্রতি শিশুদের সদয় ও শ্রদ্ধাশীল হতে, পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে রুচিশীল হতে এবং শয়নকক্ষ থেকে ভিডিও কলে যোগদান এড়িয়ে চলতে উৎসাহিত করুন। অনলাইনে উৎপীড়ন বা অনুপযুক্ত অনলাইন সামগ্রী সম্পর্কে অভিযোগ জানাতে স্কুলের নীতিমালা ও হেল্পলাইনের সঙ্গে নিজেকে পরিচিত করুন।

শিশুরা অনলাইনে বেশি সময় ব্যয় করায় তাদের অনেক বেশি বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আসতে হতে পারে, যেসব বিজ্ঞাপনে অস্বাস্থ্যকর খাবার, লৈঙ্গিক ধারণাভিত্তিক বা বয়স অনুপযুক্ত উপাদানের প্রচারণা থাকতে পারে। তাদের অনলাইন বিজ্ঞাপনগুলো শনাক্ত করতে এবং আপনার দেখা কিছু নেতিবাচক বার্তাসহ ভুলগুলো একত্রে খুঁজে বের করার সুযোগটি ব্যবহার করতে সহায়তা করতে হবে।

শিশুদের মজা করতে এবং নিজেকে প্রকাশ করতে দিন: এই সংকটময় মুহূর্তে ঘরে বসে সময় কাটানো শিশুর জন্য বড় ধরনের সুযোগ হতে পারে। কেননা তারা তাদের কথার মাধ্যমে মতামত অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে এবং যাদের সহায়তা প্রয়োজন তাদের সহায়তা করতে পারে।

সম্ভব হলে ঘরের বাইরে সময় কাটানোসহ অফলাইন কার্যক্রমের মাধ্যমে অনলাইন বিনোদনের সঙ্গে ভারসাম্য করার বিষয়টি মনে রাখবেন।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..