প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ: ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশ

 

ক্রীড়া ডেস্ক: আগামী বছর নিউজিল্যান্ডে বসছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। এ আসরকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুত করতে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশের যুবারা। শুরুতে এ টুর্নামেন্টে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য ছিল সেমিফাইনাল। কিন্তু সেটা পূর্ণ হওয়ায় জুনিয়র টাইগারদের চোখ এখন আরও ওপরে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে শিরোপা জয় করেই ফিরতে চায় সাইফ হাসানের দল।

আজ বাংলাদেশ সময় দুপুরে কলম্বোর রানাসিংহে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি হবে ফ্লাডলাইটের আলোয়। তাইতো গত দু’তিন দিন কৃত্রিম

আলোয় অনুশীলনে নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছে জুনিয়র টাইগাররা।

তুলনামূলকভাবে অন্য প্রতিপক্ষের চেয়ে কিছুটা সহজ প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তাতে ভেসে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। স্বাগতিক দলটির বিপক্ষে গুরুত্ব দিয়ে আজ মাঠে নামছেন সাইফ হাসানরা। এ নিয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক বলেন, ‘শ্রীলঙ্কাকে হালকাভাবে নিচ্ছি না আমরা। তারা ঘরের মাঠে খেলবে। টুর্নামেন্টে ওরা ভালো খেলেই সেমিফাইনালে এসেছে। লড়াইটা কোনোভাবেই আমাদের জন্য সহজ হবে না।’

এদিকে চলতি এশিয়া কাপে দাপটের সঙ্গে খেলছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৪৬ রানে জেতে জুনিয়র টাইগাররা। পরের ম্যাচে সিঙ্গাপুরকে মাত্র ৭০ রানে অলআউট করে সফরকারীরা। ওই ম্যাচ মাত্র ৫ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জিতে নেয় বাংলাদেশের জুবারা। তখনও দলটির সেমির টিকিট নিশ্চিত হয়নি। গ্রুপ ‘বি’তে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে অবশ্য পাকিস্তানের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ উইকেটে হেরে বসে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। কিন্তু এই গ্রুপে আগের দুই ম্যাচ জিতে রানরেটে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিতে পা রাখেন সাইফ হাসানরা।

গ্রুপপর্বে বলা যায় দাপটের সঙ্গেই খেলেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক সাইফ হাসান, আফিফ হোসেনরা ব্যাট হাতে দলকে দিয়েছেন নেতৃত্ব। এদিকে বল হাতে কাজী অনিক, মুকিদুল ইসলামসহ সবাই ভালো করেছেন। প্রতিপক্ষকে বড় স্কোর গড়তে দেননি তারা। তারপরও ওই তিন ম্যাচে লাল-সবুজের ছেলেরা যে ভুলগুলো করেছে, সেখানেই মনোযোগ দিয়েছেন কোচ আবদুল করিম। পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘গত ম্যাচটি হারলেও যেভাবে আমরা শেষ পর্যন্ত খেলে গেছি, এক কথায় তা দুর্দান্ত। এই একটি ম্যাচ আমাদের অভিজ্ঞতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। এ রকম ম্যাচ যত বেশি খেলতে পারবো, ততই আমরা শিখবো। চাপের মধ্যে খেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে কাজে দেবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগের ম্যাচগুলোর মতো উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলে শ্রীলঙ্কাকে হারানো কঠিন হবে না।’

এখন দেখার বিষয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যে লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশের যুবারা, তাতে সফল হতে পারবে কি জুনিয়র টাইগাররা!