পুঁজিবাজার

অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ পাঠিয়েছে গ্রামীণফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত অর্ধবার্ষিকের জন্য ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনারস (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে গ্রামীণফোন লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত অর্ধবার্ষিকের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ৯০ শতাংশ বা করপরবর্তী মুনাফার ৬৭ শতাংশ (শেয়ারপ্রতি ৯ টাকা) হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা দেয়।
আর ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য মোট ২৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। ২০১৮ সালের কর-পরবর্তী মুনাফার ১০৮ শতাংশ লভ্যাংশ হিসেবে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ আগেই পরিশোধ করা হয়েছিল। সমাপ্ত হিসাববছরে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় হয় ২৬ টাকা শূন্য চার পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৩৮ পয়সায়, যা আগের বছর একই সময়ে হয়েছিল ২০ টাকা ৩১ পয়সা ও ২৬ টাকা শূন্য এক পয়সা।
গতকাল এ কোম্পানির শেয়ারদর শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ বা ৯০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৩০৪ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩০৪ টাকা ১০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ১৯ হাজার ৭৬২টি শেয়ার ৮৩৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর তিন কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৯৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩০৬ টাকায় ওঠানামা করে। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৮৪ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৪১৯ টাকায় ওঠানামা করে।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ২০৫ শতাংশ নগদ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা তার আগের বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ২০ টাকা ৩১ পয়সা ও এনএভি ২৬ টাকা এক পয়সা। এটি তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ১৬ টাকা ৬৮ পয়সা ও ২৪ টাকা ৮৬ পয়সা।
কোম্পানিটি ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। চার হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ দুই হাজার ১২৩ কোটি ২৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ১৩৫ কোটি তিন লাখ ২২টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকের কাছে রয়েছে ৯০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী তিন দশমিক ৯৪ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তিন দশমিক ৯৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে দুই দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১১ দশমিক ৬৮ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১১ দশমিক ৩৭।

সর্বশেষ..