কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার লভ্যাংশ ঘোষণা

অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ পাঠিয়েছে গ্রামীণফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্ধবার্ষিকের জন্য ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের পাঠিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোন লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্ধ বার্ষিকের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ১২৫ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ১২ টাকা ৫০ পয়সা নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা করেছে গ্রামীণফোন, যা চলতি হিসাববছরের ছয় মাসের করপরবর্তী মুনাফার ৯৭ শতাংশ উপস্থাপন করে। আর কোম্পানিটির লভ্যাংশ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৯ আগস্ট।

এদিকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। জানা গেছে, গ্রামীণফোনের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন, ২০২১) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ছয় টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল পাঁচ টাকা ৩৮ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৯২ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস (জানুয়ারি-জুন, ২০২১) শেষে শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ১৩ টাকা ৩০ পয়সা ছিল। এছাড়া ২০২১ সালের ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৯৮ পয়সা, যা ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ৩৮ টাকা ৫৯ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮৮ পয়সা, অথচ আগের বছর একই সময় ছয় টাকা ১৩ পয়সা ছিল।

কোম্পানিটি ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। চার হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ তিন হাজার ১২১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট ১৩৫ কোটি তিন লাখ ২২টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে সরকারি ৯০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক চার দশমিক ৮৩ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে তিন দশমিক ১৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে বাকি এক দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ মোট ২৭৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ টাকা ৫৪ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৫৯ পয়সা। আর এই হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ২৪ টাকা ৮৬ পয়সা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ২৫ টাকা ৫৬ পয়সা, ২৮ টাকা ৪০ পয়সা ও ৪২ টাকা ৫০ পয়সা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..