প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

‘অন্য জেলায়ও আউটলেট খোলার ইচ্ছে আছে’

দ্য ম্যানহাটন ফিশ মার্কেটের ডিস্ট্রিক্ট কোচ মোহাম্মদ ইশতিয়াক ইকবাল। রেস্টুরেন্টটির সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি

শেয়ার বিজ: দ্য ম্যানহাটন ফিশ মার্কেট সম্পর্কে বলুন

মোহাম্মদ ইশতিয়াক ইকবাল: এটি আমেরিকান স্টাইলের সি ফুড রেস্টুরেন্ট। মালয়েশিয়ান ব্র্যান্ড। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে আমরা ফুড চেইন এশিয়া লিমিটেডের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করি। আমরা ব্র্যান্ডটির দেশীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি।

 

শেয়ার বিজ: এখানকার খাবারের বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে চাই

ইশতিয়াক ইকবাল: আমাদের এখানে সি ফুডের প্রায় ৬০টি আকর্ষণীয় ও সুস্বাদু পদ রয়েছে। হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয়ও রয়েছে। আমরা রান্নার বেলায় পাঁচটি পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। এগুলো হচ্ছে ফ্রাইড, গ্রিলড, ফ্লেমড, পোচড ও বেকড। এর মধ্যে ‘ফ্লেমড’টা আমাদের বিশেষ রন্ধন পদ্ধতি। এটি আমরা ভোক্তার সামনেই তৈরি করে থাকি।

 

শেয়ার বিজ: এটি সম্পূর্ণ বিদেশি ফুড চয়েস কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

ইশতিয়াক ইকবাল: অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক সাড়া পাচ্ছি। বলা যায়, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া মিলছে। ভোক্তারা এতটাই আপ্লুত যে, অনেক সময় তাদের মধুর অনুরোধের অত্যাচারও সহ্য করতে হয় আমাদের। শুনতে হয়, ‘ভাইয়া, আমাদের উত্তরা কিংবা ধানমন্ডিতে কবে আসছে দ্য ম্যানহাটন ফিশ মার্কেট’?

 

শেয়ার বিজ: বিষয়ে আপনারা কী ভাবছেন?

ইশতিয়াক ইকবাল: রেস্টুরেন্টটির শাখা বিস্তৃত করার পরিকল্পনা আছে আমাদের। ধানমন্ডিতে একটি আউটলেট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ভোক্তাদের আগ্রহের ওপর নির্ভর করবে অন্য কোথায় আউটলেট খোলা হবে। ঢাকার বাইরে দেশের অন্য জেলায়ও দ্য ম্যানহাটন ফিশ মার্কেটের আউটলেট খোলার ইচ্ছে ও পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

 

শেয়ার বিজ: এমন একটি বৈশিষ্ট্যের কথা বলুন (খাবারের স্বাদ বা বৈচিত্র্য ব্যতীত), যা আপনাদের অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চেয়ে আলাদা করেছে

ইশতিয়াক ইকবাল: আমাদের ইন্টেরিয়র ডিজাইন অনন্য। এটিই আমাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। আমরা রেস্টুরেন্টটিকে চারটি ব্লকে সাজিয়েছি। এগুলো নিউইয়র্ক শহরের চারটি স্থান নির্দেশ করে। টাইমস স্কয়ার, ওয়াল স্ট্রিট, ব্রুকলিন ব্রিজ ও দ্য ব্রড ওয়ে। স্থানগুলোর আদলে আলাদা আলাদা রেস্টুরেন্ট সাজানো হয়েছে। ধরুন, একজন গ্রাহক একদিন একটি ব্লকে খাওয়া-দাওয়া করে গেলেন। তিনিই আবার কয়েক দিন পর এসে বসলেন অন্য একটি ব্লকে। তার কাছে পরিবেশটি সম্পূর্ণ নতুন মনে হবে। বোঝার কোনো উপায়ই থাকবে না যে, তিনি এ রেস্টুরেন্টেই কোনো একদিন এসেছিলেন। এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে আমাদের অনেক ভোক্তার। এমন প্রশংসা শুনতে বেশ ভালোই লাগে (হাসি)।