আজকের পত্রিকা

অবিশ্বাস্য জয়ে সমতায় বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক: হারলেই সিরিজ শেষ। ব্যাপারটি মাথায় রেখে গতকাল কলম্বোতে বল হাতে আবু হায়দার, ইবাদত হোসেন ও সানজামুল ইসলামরা দারুণ করেন। তারা দলের লক্ষ্যমাত্রাটা নাগালের মধ্যেই রাখেন। জবাব দিতে নেমে শুরুটা খারাপ হলেও মাঝে জয়ের পথেই খুব সহজেই এগোচ্ছিল মোহাম্মদ মিথুনের দল। কিন্তু শেষদিকে দলীয় অধিনায়ক ও মোহাম্মদ নাঈম দ্রুত ফিরে যাওয়ায় হারের শঙ্কা ভর করেছিল লাল-সবুজ শিবিরে। শেষ পর্যন্ত ১ উইকেটের কষ্টার্জিত জয়ে সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
গতকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে আগে বল হাতে নিয়ে শ্রীলঙ্কার ৯ উইকেট তুলে নিয়ে ২২৬ রানে থামিয়ে দেয় বাংলাদেশ। জবাবে দিতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে একবারে শেষ বলে জিতে নেন মিথুনের দল। তাতে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা।
শেষ ওভারে গতকাল বাংলাদেশের জিততে দরকার ছিল ৯ রান। উইকেটে ছিলেন সানজামুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন। প্রথম দুই বলে তারা এক রান করে নেন। তৃতীয় বলে সানজামুল চার হাঁকিয়ে বাংলাদেশের জয়ের আশা বাড়ান। এর পরের বলে সানজামুল ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদল করেন। পরের বলে ওয়াইড থেকে আসে ১ রান। সে সময় জিততে লাগে আর ২ বলে ১ রান। কিন্তু পঞ্চম বলে করুণারতেœর ক্যাচ হয়ে মেন্ডিসের শিকারে পরিণত হন ইবাদত। সে সুবাদে স্ট্রাইক ফিরে পেয়ে সানজামুল শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১ রান নেন। তাতে অবিশ্বাস্য ১ উইকেটের জয়ের আনন্দে মাতে বাংলাদেশ।
গতকাল মোহাম্মদ সাইফ শুরুতেই ফিরেন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে শান্তকে নিয়ে ৫৯ রানের জুটি গড়েন নাঈম। মাঝে নাজমুল, আফিফ আর নুরুল ফিরে যান সাজঘরে। পরে মিথুনকে নিয়ে চেষ্টা করেন নাঈম। শেষ পর্যন্ত তাদের ব্যাটে জয়ের ভীত পেয়ে যায় লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত নাঈম ৫৯ বলে ৯ চারে ৬৮ রান করে ফিরেন। এদিকে মিথুন করেন ৮৭ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৫২ রান।
এর আগে বল হাতে লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপের বড় পরীক্ষা নেন আবু হায়দার (২/৪২), ইবাদত হোসেন (২/৪৬) আর সানজামুল (২/৪৩)। যে কারণে স্বাগতিকরা ২২৬ রানের বেশি করতে পারেনি। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন কামিন্দু মেন্ডিস। এদিকে ৫২ রান আসে প্রিয়ামাল পেরেরার ব্যাট থেকে।
এর আগে দুই দলের প্রথম যুব ওয়ানডে বাংলাদেশ হেরেছিল ৭ উইকেটে। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগামীকাল মুখোমুখি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা।

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..