মত-বিশ্লেষণ

অসুস্থদের প্রতি সহমর্মী হওয়া জরুরি

কোনো মানুষ দেখতে কেমন, কোথায় থাকে বা কোন ভাষায় কথা বলে তার সঙ্গে কভিডের যে কোনো সম্পর্ক নেই, তা শিশুদের কাছে ব্যাখ্যা করুন। আপনার শিশুসন্তানকে বলুন, অসুস্থ মানুষের প্রতি এবং যারা অসুস্থ মানুষের যত্ন নিচ্ছেন তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে। এমন মানুষের কথা জানার চেষ্টা করুন, যারা কভিডের প্রাদুর্ভাব বন্ধ করতে কাজ করছেন এবং অসুস্থ মানুষের যত্ন নিচ্ছেন।

কভিডকালে অনেক ধরনের কথা বা গল্প চারদিকে শোনা যাচ্ছে, যার অনেকগুলো সত্য নাও হতে পারে। এটি জানতে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর মতো বিশ্বাসযোগ্য সাইট ভিজিট করুন।

আপনার শিশুসন্তান ঠিক আছে কি না, তা দেখুন। তাদের মনে করিয়ে দিন যে, আপনি তাদের গুরুত্ব দেন এবং চাইলে যে কোনো সময় তারা আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারে। এরপর একসঙ্গে মজার কিছু একটা করুন!

কাজে যেতে পারছেন না? স্কুল বন্ধ? অর্থকড়ি নিয়ে চিন্তিত? মানসিক চাপ অনুভূব করা ও হতবিহ্বল হয়ে পড়া স্বাভাবিক।

স্কুল বন্ধ হওয়ায় এটা আমাদের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো করার একটি সুযোগও। এখন একজন আরেকজনকে সময় দেওয়ার কাজটি করা যায় এবং এটি আনন্দের। এটি শিশুর প্রতি আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করবে, তারা সুরক্ষিত বোধ করবে এবং এতে তারা বুঝতে পারবে যে, তারাও গুরুত্বপূর্ণ।

সন্তানের সঙ্গে কাটানোর জন্য আলাদা সময় ঠিক করে রাখুন। এটি ২০ মিনিট বা তার বেশিও হতে পারে, যা পুরোপুরি আমাদের ওপর নির্ভর করে। এটি প্রতিদিন একই সময়ে হতে পারে, যাতে শিশু বা কিশোর-কিশোরীরা এর জন্য অপেক্ষায় থাকে।

শিশুসন্তানকে জিজ্ঞাসা করুন, তারা কী করতে চায়।

কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে। তারা যদি এমন কিছু করতে চায়, যা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়, সেক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার এটি একটি সুযোগ।

সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুর সঙ্গেও খেলতে পারেন। তাদের মুখের অভিব্যক্তি ও শব্দ অনুকরণ করুন।

গান গেয়ে শোনান, হাঁড়ি ও চামচ দিয়ে বাজনা বাজান। কাপ অথবা ব্লক সারি করে রাখুন। একটি গল্প বলুন, একটি বই পড়ে শোনান, বা ছবি শেয়ার করুন।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..