প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

অস্কার আসরেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির সমালোচনা

 

শোবিজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা মুসলিম নিষেধাজ্ঞায় সংশয়ে পড়েছিল তার অস্কার বিজয়ের স্বপ্ন। পরে সেই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে নিজেই বয়কট করেছিলেন অস্কারের আয়োজন। কিন্তু ঠিকই একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিলেন ইরানি নির্মাতা আসগার ফারহাদি। এবারের অ্যাওয়ার্ড কর্তৃপক্ষ তার  অনবদ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য সেলসম্যান’কে বিদেশি ভাষার সেরা সিনেমার স্বীকৃতি দিলো। অস্কার মঞ্চে ফারহাদির লিখিত বক্তব্যে আবারও প্রতিবাদ ধ্বনিত হলো ট্রাম্পের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে। কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৯তম আসরে দুটি পুরস্কার জিতে সাড়া ফেলেছিল এই চলচ্চিত্র।

এর আগে ২০১৪ সালে নির্মিত ‘দ্য সেপারেশন’-এর জন্য প্রথমবার অস্কার জিতেছিলেন আসগার ফারহাদি।

এক দম্পতিকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে ‘দ্য সেলসম্যান’-এর কাহিনি। চলচ্চিত্রে আর্থার মিলারের ‘ডেথ অব অ্যা সেলসম্যান’ মঞ্চনাটকে অভিনয় করতে দেখা যায় ওই দম্পতিকে। যৌনকর্মী থাকেনÑএমন একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেওয়ার পর তাদের দাম্পত্য-জীবনে শুরু হয় টানাপড়েন।

ট্রাম্পের মুসলিম নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে লস অ্যাঞ্জেলেসে রোববার সন্ধ্যায় ৮৯তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের এ আসর বয়কট করেছিলেন ফারহাদি। তবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের আয়োজনে তার পক্ষ থেকে একটি লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান আনুশেহ আনসারি। সেখানে বলা হয়, ‘আমার অনুপস্থিতি আমার জাতি ও অন্য সাতটি দেশের অভিবাসীদের ওপর অমানবিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ।’ বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘গোটা বিশ্বে এ বিভাজন আমাদের এবং আমাদের শত্রুদের মধ্যে যুদ্ধের একটি অন্যায্য অজুহাত তৈরির আশঙ্কা সৃষ্টি করে।’

এবারের অস্কারে বিদেশি ভাষার সিনেমা বিভাগে ইরানের ‘দ্য সেলসম্যান’ ছাড়া জার্মানির ‘টোনি এর্ডমান’, সুইডেনের ‘অ্যা ম্যান কলড উভে’, অস্ট্রেলিয়ার ‘টান্না’ ও ডেনমার্কের ‘ল্যান্ড অব মাইন’ মনোনয়ন পেয়েছিল।